ব্রেকিং নিউজঃ
Home / বাংলাদেশ / রাজনীতি / হাজীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ সম্পাদক পদে যে কারনে আলোচনায় মিঠুন ভদ্র
হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগে সাধারণ সম্পাদক পদে পদপ্রার্থী সত্যব্রত ভদ্র(মিঠুন ভদ্র)।

হাজীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ সম্পাদক পদে যে কারনে আলোচনায় মিঠুন ভদ্র

অমরেশ দত্ত জয় : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে হেবী ওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন সত্যব্রত ভদ্র(মিঠুন ভদ্র)।
আসন্ন উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে তাকে দলের সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী থেকে ব্যাপক সমর্থণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।কেননা তিনি প্রায় ২৯ বার তৎকালীন স্বৈরাচার এরশাদ ও খালেদা জিয়ার সরকামলে পুলিশ বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হন এবং ৩ বার কারাবরন করেন।
তিনি ১৯৮৬ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সময়ে ২৯টি রাজনৈতিক হয়রানীমূলক মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছিলেন। ওয়ান ইলিভেনের ৩য় দিন তাকে হাজীগঞ্জের মকিমাবাদের বাড়ি হতে চোখ হাত বেঁধে আটক করে যৌথবাহিনী।হাজীগঞ্জের তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা মিঠুন ভদ্র সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানান”চেনা বামনের পৈতা লাগে না” তবুও বলতে চাই,তৎকালীন সময়ে যখন হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক পর্যায়ক্রমে সহ-সভাপতি ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এই মিঠুুুন ভদ্র। তখন বিরোধী দলের বিরুদ্ধে শক্ত ও শক্তিশালী অবস্থানে দলকে নিতে তার ত্যাগ ও শ্রমের যেন শেষ ছিলোনা।
তিনি দলের তখনকার দুঃসময়েও সবরকম ভয়ভীতি উপেক্ষা করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে উপজেলার ২৫টি হাই স্কুল(২টি মাধ্যমিক,১টি নিম্নমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়সহ),১৪টি মাদ্রাসা,৪টি কলেজ,১টি পৌরসভা,১১টি ইউনিয়ন,১’শ ৮টি ওয়ার্ড শাখায় নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটি গঠন করেছিলেন।
তখনকার সময়ে প্রায় ৮ হাজার ছাত্রলীগের কর্মীবাহিনী সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধায় পাশে থেকে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছিলো।শুধু তাই নয় দলের দুঃসময়ে রাজপথে থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত সব আন্দোলন সংগ্রাম,মিছিল,মিটিং,সভা-সমাবেশ,গণসংযোগ অব্যাহত রেখে দলকেও তিনি এগিয়ে নিয়েছেন। তাই এমন একজন তৃণমূল পর্যায়ের পরীক্ষিত নেতাকেই হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দিয়ে দলকে আরো সুসংগঠিত করা এখন সময়ের দাবী।
কেননা মিঠুন ভদ্র ১৯৮৩ সালে শেখ রাসেল স্মতি সংসদ হাজীগঞ্জ থানার সহ-সভাপতি,১৯৮৭ সালে হাজীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক,১৯৮৯ সালে হাজীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি,১৯৯২ সালে হাজীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি,২০০৬ সালে জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০১২ সালে হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য পদ পেয়ে এখন পর্যন্ত নিজের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন।
এমন একজন কর্মী বান্ধব মিঠুন ভদ্রই পারবেন দলকে নিরাপদভাবে এগিয়ে নিতে হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারী মুক্ত রাখতে।এদিকে ১৪ নভেম্বর এক সাক্ষাৎকারে মিঠুন ভদ্র এ ব্যপারে জানান,বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার ও দলের অভিভাবক। তাই আসন্ন উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে দলীয় দায়িত্বের ব্যপারে আমার জন্য তিঁনি যে সিদ্ধান্ত রাখবেন।
তাঁর সিদ্ধান্তই দলের বৃহত্তর স্বার্থে আমার সিদ্ধান্ত।দলের সেবক হয়ে সংগঠনের স্বার্থে সবসময় কাজ করে যাবো এটাই আমার অঙ্গীকার।
Facebook Comments

Check Also

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা একটি স্বাধীন সোনার বাংলাদেশ পেয়েছি : মেয়র নাছির

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : ১০নং ওয়ার্ড চাঁদপুর পৌর আওয়ামী লীগ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার …

vv