ব্রেকিং নিউজঃ
Home / সম্পাদকীয় / সাংবাদিকতা আর সংবাদ মাধ্যম নিয়ে কিছু কথা…

সাংবাদিকতা আর সংবাদ মাধ্যম নিয়ে কিছু কথা…

পাঠকরাই আমাদের প্রেরণা ও সফলতার মূলচালিকাশক্তি, প্রিয় চাঁদপুর মিডিয়ায় চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ এর গ্রাহক সেবা প্রশ্নবিদ্ধ ! নিয়ে গতকয়েক দিন পূর্বে আমি একটি প্রতিবেদন লিখেছিলাম , সম্পাদক সাহেব জানালেন আমার নিউজ টি অনলাইনে সর্বোচ্চ ভিউয়ার্স হয়েছে । আসলে শত ব্যস্ততার মাঝেও অনেক কিছু নিয়ে, সমাজের জন্য, সমস্যা মূলক লেখালেখি করতে ইচ্ছে করে, কিন্তু অনেক সময়ই পারিপার্শ্বিক কারনে অনেক লেখা লিখতে পারি না।

সে জন্য নিজের কাছে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে হয় । “প্রিয় চাঁদপুর” অনলাইন মিডিয়ার পেইজে লাইক সংখ্যা ৬ হাজার + অতিক্রম করেছে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মাত্র ৩ মাস সময়ের ব্যবধানে এমন অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তায় প্রিয় চাঁদপুর পরিবার পাঠকের নিকট বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ এবং সর্বদা দায়বদ্ধ থাকার নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। আমি প্রেসক্লাব হাজীগঞ্জ এর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বের পাশাপাশি প্রিয় চাঁদপুর মিডিয়ার মাধ্যমে পাঠকের কাছে সত্য সমাগত তথ্য তুলে ধরতে প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে যতটুকু সম্ভব করছি ।

আমি ২০০-৩০০ শত টাকার হাজিরার সাংবাদিক নামক দিনমজুর নয় । আমি তিনশ টাকার জন্য আমার বাবার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সাংবাদিক থেকে সাংঘাতিক হতে পারবো না । আমি কোন কিলিং মিশনের অধিনায়কের কথায় সংবাদ লেখা সাংঘাতিক হতে চাইনি আর হইও নি । আমার দৃষ্টি হচ্ছে টাকার গন্ধ না থাকায় যেদিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় হলুদ সাংবাদিকরা । সেই হলুদ সাংবাদিকতার অপকর্মের বিরুদ্ধে আমার কলম চলছে চলবে ।

আমি আমার যোগ্যতার মাঝেই সাংবাদিকতা পেশা সীমাবদ্ধতা রাখতে চাই না ।দিন বদল হচ্ছে, দেশ উন্নত হচ্ছে! আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য যোগ্যতা সম্পন্ন মেধাবী, সমাজচিন্তক, নীতিবান তথ্য প্রযুক্তি আইনের বিষয়ে জ্ঞানের অধিকারী, স্থানকাল বুঝে সময়ের উপযোগী আদর্শ কলম সৈনিক তৈরি করে আগামী প্রজন্মের জন্য টিন দোকানি, চাঁদাবাজ, সংগঠন ব্যবসায়ী মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠিত করতে হবে । রুটি রুজির নির্ভরশীল সাংবাদিকতা পরিহার করতে আমার চেস্টা অব্যাহত থাকবে ।সমাজের সুশীল নামীয় অনেক কুশীল রয়েছে এদের মোড়ক উন্মোচন করতে হবে, স্বার্থের প্রয়োজনে যারা কালো কে সাদা আবার সাদা কে কালো বানিয়ে ফেলে তাদের চিহ্নিত করতে হবে ।

আমরা অনেক সময়ই দেখতে পাই একজন ব্যক্তির পজিটিভ দিক তুলে ধরা থেকে বিরত থেকে নেগেটিভ দিক নিয়ে টানাটানি অথবা ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে নিজের অথবা অন্যের স্বার্থ হাসিল করতে কিছু কিছু চক্র সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে ঐক্য জোট করে অপসাংবাদিকতা করে সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদা হানি করছে ! তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে বয়কট করতে হবে ।

গণমাধ্যমের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারনে সকালে দেখলাম যে পত্রিকায় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনের নামে বা ব্যক্তি কেন্দ্রিক হেয় প্রতিপন্ন করে নেগেটিভ সংবাদ প্রকাশিত হয় আবার সেই নেগেটিভ সংবাদ সামান্য ২০০-৩০০ টাকায় পজিটিভ হয়ে প্রকাশিত হয় তখন ঐ সংবাদের বা প্রতিবেদকের মান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় ?

গণমাধ্যম কে হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিচ্ছে অনেকে নিজের পেশী শক্তি ধরে রাখতে, গোষ্ঠী কেন্দ্রিক প্রভাব বিস্তার করতে, শত্রু পক্ষকে দুর্বল করতে গণমাধ্যম আইনের তোয়াক্কা না করে উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত ব্যবহার করে এই শিল্পের মারাত্মক ভাবে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে, যে খানে মানবসম্পদ বিভাগের নিয়ম কানুন মেনে বেতন -ভাতা প্রদানের সত্বে গণমাধ্যমের কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার বিধান সেখানে উল্টো নিয়ম, দেখা যায় স্থানীয় দু-চারটি মিডিয়া ছাড়া বাকি সব গুলোই সংবাদদাতা, প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রতিমাসে, সংবাদ প্রকাশের ভিত্তিতে, পত্রিকা বিল বাবদ এক- দুই হাজার টাকা অফিস বুঝে নিচ্ছে, সম্পাদকের বেধে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী মাসিক অফিস খরচ না দিলে আবার বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তি জারি হয় প্রতিনিধির ছবি সহ । কারন হিসেবে লেখা থাকে পত্রিকার নিয়ম নীতি বহির্ভূত কাজে জড়িত থাকার কারণে অথবা চাঁদাবাজির অভিযোগে । সে সকল সম্পাদক সাহেবদের কাছে আমার প্রশ্ন যেখানে আপনি আপনার প্রতিনিধিদের বেতন/ভাতা ,সন্মানী প্রদান করার কথা সেখানে আপনি উল্টো কিসের টাকা নিচ্ছেন ?  আর যোগ্যতা সম্পন্ন কোন সম্পাদক বা মিডিয়া কর্তৃপক্ষ এ ধরনের নিয়ম বহির্ভূত কাজ করতে পারে না যেখানে দেওয়ার নিয়মে উল্টো নেওয়ার নীতি তাহলে বুঝতে হবে ঘাপলা আছে, যে জাতের বেগুন -সে জাতের শুঁটকি!

যোগ্যতা সম্পন্ন কোন সংবাদদাতা নিজের পকেট থেকে টাকা দিয়ে চাকুরী করবে আমার কাছে মনে হচ্ছে না । একটা কথা না বলে পারছি না বর্তমান বিশ্বে প্রিন্ট মিডিয়া আর অনলাইন মিডিয়ার মধ্যে অবশ্যই যুগের প্রয়োজনে পরিবর্তন হয়েছে । অনলাইন মিডিয়ার এই যুগে প্রিন্ট মিডিয়ার পাঠক কমতে শুরু হয়েছে ।যে পত্রিকা আপনি সাতদিন পর অথবা দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয় বা হতো । সে সকল মিডিয়ার প্রচার সংখ্যা দুই -তিন হাজার হয়ে থাকে, অথবা চাহিদা অনুযায়ী কিন্তু অনলাইনে আনলিমিটেড প্যাকেজ ও থাকে বা আছে বর্তমানে অনলাইনে আপনি মূহুর্তের মধ্যে বিশ্বের সকল খবরা খবর পেয়ে যাচ্ছেন, তাহলে বলার অবকাশ নেই যে অনলাইন মিডিয়া সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে অনেক প্রচলিত হয়েছে ।

অনলাইন মিডিয়ার পর এবার অফলাইন মিডিয়ার সৃষ্টির হয়েছে, দেখা যাচ্ছে ইন্টারনেট ব্যালেন্স না থাকলেও আপনি কিছু কিছু সার্ভারে প্রবেশ করে তথ্য প্রযুক্তি সেবা গ্রহণ করতে পারছেন । আগামী প্রজন্মের জন্য আরো সুখবর হয়ে আসছে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের উন্নয়নে বাংলাদেশের সকল মানুষের সাথে চব্বিশ ঘণ্টা ইন্টারনেট সংযোগ সহ বিভিন্ন এক্সেসরিজ থাকার সম্ভাবনা বেশি মনে হচ্ছে । একটা সময়ে আপনি যে সেবাটি পাওয়া দুষ্কর ছিল তা এখন আপনার হাতের নাগালে থাক ইচ্ছে করলেই যথারীতি ব্যবহার বা প্রয়োগ করতে পারছেন ।

অনলাইন মিডিয়ার প্রচার সংখ্যা অন্য মাধ্যমের চেয়ে অনেক বেশি দিন দিন বেড়েই চলেছে এই প্রযুক্তি । 

লেখক: আনোয়ার হোসেন মানিক, প্রধান প্রতিবেদক, প্রিয় চাঁদপুর ডটকম

Facebook Comments

Check Also

শৈত্যপ্রবাহে মানবতা বিকলাঙ্গ!

চলমান শৈত্যপ্রবাহে বিভিন্ন শ্রেণির পেশাজীবি মানুষ থুবড়ে পড়েছে। দিনমজুর, দুস্থ ও ছিন্নমূলের মানুষগুলো শৈত্যপ্রবাহের কাছে …

vv