ব্রেকিং নিউজঃ
Home / শীর্ষ / সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমেই শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সফলতা আনা সম্ভব : এডিসি ইমতিয়াজ হোসেন
চাঁদপুরে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণে সভাপতির বক্তব্য রাখছেন ইমতিয়াজ হোসেন।

সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমেই শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সফলতা আনা সম্ভব : এডিসি ইমতিয়াজ হোসেন

সজীব খান : চাঁদপুরে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প এর আওয়াত্তায় পরিবহন চালক ও সহযোগীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার আয়োজনে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসকের বাস্তবায়নে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক ইমতিয়াজ হোসেনের সভাপতিত্বে সাংবাদিক গোলাম কিবরিয়া জীবনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুসুদীপ্ত রায়, সিভিল সার্জন শাখাওয়াত হোসেস, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান, সদর উপজেলা ইউএনও সানজিদা শাহনাজ, পরিবেশ সহকারী পরিচালক নাজিম হোসেন শেখ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতি তার বক্তব্য বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রনে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে সামাজিক সংগঠন এবং বেসরকারি সংগঠনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। নিজস্ব কাজের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলো যদি শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে, তাহলে সমাজে কার্যকর প্রভাব পড়বে।
তিনি বলেন, নগরজীবনে স্বাস্থ্যঝুঁকির একটি অন্যতম কারণ শব্দ দূষণ। নির্মাণকাজ, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে এ সমস্যা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে একদিকে জনগণ যেমন শ্রবণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার ঝুঁকিতে রয়েছে, সেই সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। শব্দ দূষণ দুশ্চিন্তা, অবসাদ, উদ্বিগ্নতা, নিদ্রাহীনতা ইত্যাদি বাড়িয়ে দেয়, যা দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এ আবাসিক, নীরব, মিশ্র, শিল্প ও বাণিজ্যিক মোট পাঁচ ধরনের এলাকা এবং সেখানে শব্দের মাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া থাকলেও বাস্তবে সব স্থানেই শব্দের মাত্রা মাত্রাতিরিক্ত।
তিনি বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমেই শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সফলতা আনা সম্ভব। মাটি, পানি, বায়ু দূষণের পাশাপাশি শব্দ দূষণের ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে পরিবেশ অধিদফতর ২০২০-২০২২ মেয়াদে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা অনুযায়ী, শব্দের সহনশীল মাত্রা নির্দিষ্ট করে দেয়া হলেও আমরা তা অনুসরণ করতে পারছি না। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে বেসরকারি সংস্থাসমূহের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
Facebook Comments

Check Also

মতলব দক্ষিণে সরকারি রাস্তা কেটে ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব : মতলব দক্ষিণে সরকারি রাস্তা কেটে ফসলি জমি থেকে অবৈধ কাটিং ড্রেজার দিয়ে …

Shares
vv