ব্রেকিং নিউজঃ
Home / বাংলাদেশ / জাতীয় / “শেখ হাসিনাকে কঠোর হতে সাহস যোগাচ্ছে কারা?”

“শেখ হাসিনাকে কঠোর হতে সাহস যোগাচ্ছে কারা?”

*হঠাৎ করেই শেখ হাসিনা যেন অচেনা হয়ে গেছেন। অচেনা হয়ে গেছেন দলের নেতাকর্মীদের কাছে। দু’র্বোধ্য হয়ে গেছেন প্রশাসনের কাছে। শেখ হাসিনা পরবর্তী কি সিদ্ধা’ন্ত নিবেন সে ব্যাপারে জানেন না অনেকেই। এমনকি তার ঘনিষ্ঠ এবং আস্থাভাজনরা পর্যন্ত জানেন না তার পরবর্তী পদ’ক্ষেপ কি হবে! তবে শেখ হাসিনাকে নিয়ে যারা পর্য’বেক্ষণ করেন এবং গবে’ষণা করেন, তারা বলছেন যে, ‘তৃতীয় মেয়া’দে শেখ হাসিনা অত্যন্ত ক’ঠোর হয়েছেন জনগণের স্বা’র্থে। তিনি জনগণের পক্ষে অবস্থা’ন গ্রহণ করেছেন। জনগণের দৃষ্টি’ভঙ্গিতে তিনি আওয়ামী লীগ ও প্রশাসনের সমস্যাগুলোকে দেখছেন। সেমতেই তিনি ব্য’বস্থা নিচ্ছেন।

*এটাই একজন রাষ্ট্রনায়কের বৈশিষ্ট এবং দূর’দৃষ্টি। ছাত্রলীগের শীর্ষ ২ নেতাকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অচেনা শেখ হাসিনাকে আবিষ্কার করতে শুরু করছে আওয়ামী লীগ এবং প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা। এদের স’রিয়ে দেওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত কেউ বিশ্বাস করতে পারেনি যে তাদেরকে স’রিয়ে দেওয়া হবে। এখানেই শেষ নয়। এরপরেও তিনি অন্য সংগঠনগুলোর ক্যা’ডার সন্ত্রা’সদের সম্ব’ন্ধে নানা রকম তথ্য সংগ্রহ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের যে শু’দ্ধি অভি’যান। সেই শু’দ্ধি অভি’যানের মাধ্যমে আরো অনেকের বিরু’দ্ধেই ব্যব’স্থা গ্রহণ করা হবে।

*রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, একটা দল টানা তৃতীয়বার ক্ষম’তায় রয়েছে। কাজেই এই দলের সংগঠনের মধ্যে নানা রকম স্বার্থা’ন্বেষী মহলের অ’নভিপ্রেত করা যেমন স্বাভাবিক, তেমনি দলের নেতাকর্মীরা ধরাকে সরা জ্ঞান করার মনোভাব তৈরী হওয়াও অত্যন্ত স্বাভাবিক। দেশটা তাদের দ’খলে। যেকোন টে’ন্ডার, যেকোন ব্যবসা, যেকোন চাঁ’দাবাজি তারা করতে পারে। তারা আইনের উর্ধে এমন ধারণা তৈরীই হতে পারে। শেখ হাসিনা এই ধারণাকে ভে’ঙ্গে দিতে চান। ধারণাটি ভে’ঙ্গে দেওয়ার জন্যই তিনি লৌ’হমানবীর রূপে আর্বি’ভূত হয়েছেন।

*আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পর্যন্ত আজ গণমাধ্যমের কাছে বলেছেন যে, দলের পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক কে হবেন তা ঠিক করবেন দলের সভাপতি নিজেই। অর্থ্যাৎ তিনিও তার চেয়ারটি সম্ব’ন্ধে নিশ্চিত নন। আওয়ামী লীগের অন্য সিনিয়র নেতারাও জানেন না, দল কোন পথে এগুবে, আগামীকাল শেখ হাসিনা কি সিদ্ধা’ন্ত নিবেন। তবে শেখ হাসিনা যে সি’দ্ধান্তগুলো নিচ্ছেন, তা বিপুলভাবে জনগণের কাছে প্রশংসিত এবং আদৃত হচ্ছে। জনগণ মনে করছে তিনি সত্যিকার অর্থেই একজন দেশপ্রেমিক এবং রাষ্ট্রনায়ক। শুধু সংগঠন নয়, প্রশাসনের ক্ষেত্রেও এমন ঘট’না ঘট’ছে। প্রশাসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার অব’সরের সময় চলে এসেছে। তাদের আসলে চু’ক্তিভিত্তিক নিয়ো’গ হবে কিনা, তারা কি অ’বসরে চলে যাবেন?

*প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদের চাকরির মেয়াদ শেষ হবে নভেম্বরে। তার কি চু’ক্তির নবায়ন হবে? এ প্রশ্নের উত্তর কারো জানা নেই। কারো জানা নেই মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানের চাকরির মেয়াদ বাড়বে কিনা। কেউ জানে না, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবও কি এই চু’ক্তিতে নিয়োগ পাবেন কিনা, কিংবা জনপ্রশাসন সচিব নিয়োগ হবে কিনা।

*শেখ হাসিনা প্রত্যেকটি বিষয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশে’ষজ্ঞ এবং যাদের এই সমস্ত কাজে স্বা’র্থ নেই তাদের সঙ্গে আলাপ করছেন। পরামর্শ নিচ্ছেন। সবচেয়ে বড় কথা, গত ১৮ বছর দল চালিয়ে এবং ১৫ বছর দেশ চালিয়ে দলের যেমন ভিতর বাহির সমস্ত তার মুখস্থ। দলের নেতাকর্মীদের সব বৈ’শিষ্ট তিনি জানেন। সরকারের ভিতরের সফলতা দুর্বলতা তার জানা।

*তিনি জানেন যে, এখনি যদি দলের লাগা’ম টে’নে না ধ’রা যায়, তাহলে আওয়ামী লীগ বা প্রশাসনের ভিতর থেকেই ‘দা’নব’ তৈরী হবে। যে ‘দা’নব’রা সব উন্নয়ন কুঁ’রে কুঁ’রেই শুধু খা’বে না। জনগণের প্রতি’পক্ষ হিসেবে দাঁ’ড়াবো। সেই জন্য জনগণের কল্যাণে বিশ্বাসী শেখ হাসিনা জনগণের প’ক্ষে একাই ল’ড়ছেন। সেই জন্য তিনি ক্রমশ সবার কাছে অচেনা হয়ে যাচ্ছেন। এক কঠোর লৌহ’মানবী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আর্বি’ভূত হচ্ছেন।

সম্পাদক ডটকম

Facebook Comments

Check Also

শোকাবহ জেলহত্যা দিবস আজ

স্টাফ রিপোর্টার : আজ ৩ নভেম্বর। শোকাবহ জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কময় একটি দিন। ১৯৭৫ সালের …

vv