ব্রেকিং নিউজঃ
Home / বিশেষ প্রতিবেদন / শাহরাস্তি উপজেলার সকল তথ্য ও প্রয়োজনীয় মোবাইল নম্বর জেনে নিন এক সাথে

শাহরাস্তি উপজেলার সকল তথ্য ও প্রয়োজনীয় মোবাইল নম্বর জেনে নিন এক সাথে

মাসুদ হোসেন : ১৯৭৮ সালে প্রশাসনিক থানা ও ১৯৮৩ সালে সৃষ্টি হওয়া শাহরাস্তি উপজেলায় ১০টি ইউনিয়নে জুন ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৫১১ জন জনসংখ্যা রয়েছে।
এ উপজেলার জনপ্রতিনিধির দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ উল্যাহ চৌধুরী  (মোবাঃ ০১৭১৬৯৬৭২৮৪)। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ তোফায়েল আহমেদ ইরান (মোবাঃ ০১৭১১৯৫১৯৯৪) ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহার (মোবাঃ ০১৭৩২৭৪৯৮৪১) আর উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরীন আক্তার (মোবাঃ ০১৭৩০০৬৭০৬৮)। শাহরাস্তি পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুল লতিফ (মোবাঃ )।
এছাড়াও অন্যান্য দাপ্তরিক দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ জয়নুল আবেদীন (মোবাঃ ০১৫৫৮২৭১৭৭৭), পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ফারুক হোসেন (মোবাঃ ০১৭৩৮০৮৯৫২০), শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহআলম (মোবাঃ ০১৩২০১১৬০৭৫), ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ জাকির হোসেন (মোবাঃ ০১৭৫৯৯৮০৭০৭), উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা এ.টি.এম শাহ আলম  মোবাঃ ০১৮১৯৬০৫৩৩৩), উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সহকারী পোগ্রামার মোঃ শাহজাহান (মোবাঃ ০১৮১৬৭৫২৭৭৩), এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ রেজওয়ানুর রহমান (মোবাঃ ০১৭০৮১৬১৩১৫),  জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান (মোবাঃ ০১৭৬৮৯৬৬৯৬২), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোফায়েল হোসেন, (মোবাঃ ০১৭১২০৮৮৫২৭), উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোঃ কামাল উদ্দিন (মোবাঃ ০১৭১৬৪৮৮১৫২), উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে হাবীবা মীরা (মোবাঃ ০১৭৩০-০৬৭০৬৯), উপজেলা সাব রেজিস্টার অফিসের সাব রেজিস্টার কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ (মোবাঃ ০১৭১২-৮৭৯১৮৫), উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আবু ইসহাক (মোবাঃ ০১৭০৮৪১৪৭৬৮), উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আবদুল আইয়াল খন্দকার (মোবাঃ ০১৭১২১৯২২৩৪), উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ ফেরদৌস আহম্মেদ (মোবাঃ ০১৫৫৮৩৬৬৩২৮), উপজেলা বিআরডিবি অফিসের পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ শাহাদাত হোসেন পাঠান (মোবাঃ ০১৭১৩৬৩৮৯৫১), উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেন  মোবাঃ ০১৭১৫৩৫৪৮০৩), উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: সিরাজুল ইসলাম (মোবাঃ ০১৭১০-২৩৩৭৯৭), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আহসান উল্লা চৌধুরী (মোবাঃ ০১৮১৯৯৯১২৫৪), উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর (চ: দা:) নিলুফার ইয়াসমিন- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ডেপুটেশনে কর্মরত আছেন (মোবাঃ ০১৭১৬১২৪৪২৭), উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা অনামিকা ভদ্র (মোবাঃ ০১৮১১১৫৮৫৭৬), উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম (মোবাঃ ০১৭৩০০৬৭০৮৪), উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ ওবায়েদুর রহমান (মোবাঃ ০১৫৫০০৪২১০৭)।
জুন ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী শাহরাস্তি উপজেলায় ১০ টি ইউনিয়নে ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৫১১ জন জনসংখ্যা রয়েছে। এর আয়তন ১৫৪.৮৩ বর্গ কিলোমিটার। উপজেলার ইউনিয়নগুলোর মধ্যে- টামটা উত্তর, টামটা দক্ষিণ, মেহের উত্তর, মেহের দক্ষিণ, চিতোষী পূর্ব, চিতোষী পশ্চিম, রায়শ্রী উত্তর, রায়শ্রী দক্ষিণ, সূচীপাড়া উত্তর সূচীপাড়া দক্ষিণ। ১৯৮৩ সালে সৃষ্টি হওয়া এ উপজেলায় ১৫৫টি গ্রাম, ১৬২টি মৌজা, ৬টি সরকারী এতিমখানা, ২৩টি বে সরকারী এতিমখানা, ৪৩৩ টি মসজিদ, ৫টি মন্দির, ১টি নদী (ডাকাতিয়া), ৬ হাজার ১৬৬ টি পুকুর, হাট বাজার ৩২টি, পোস্ট অফিস/ সাব পোস্ট অফিস ৩৮টি, তফসিল ব্যাংক ১৫টি, শিক্ষার হার ৭২.৩%, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০১ টি, জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ৩টি, উচ্চ বিদ্যালয় (সহ শিক্ষা) ৩২টি, উচ্চ বিদ্যালয় (বালিকা) ২টি, দাখিল মাদ্রাসা ১০ টি, আলিম মাদ্রাসা ৪টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৫টি, কামিল মাদ্রাসা ১টি, কলেজ সহপাঠ ৪টি, কলেজ বালিকা ১টি, মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা কেন্দ্র ১১৬ টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১টি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ৯টি, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৮টি, কমিউনিটি ক্লিনিক ২৩টি, ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৮টি, পৌর ভূমি অফিস ১টি, রেল স্টেশন ৪টি, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ১টি, সিএনজি ফিলিং স্টেশন ১টি, এনজিও ২০টি। নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুর-৫ (মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম)।
প্রখ্যাত ব্যক্তিগণের মধ্যে-
ডঃ এম. এ সাত্তার চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের নাওড়া পাটওয়ারী বাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। মা বেগম করফুলেন্নেছা ও বাবা আজিজুর রহমান পাটওয়ারীর চার সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। ১৯৪০ সালে নাওড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক, শাহরাস্তি উচ্চ বিদ্যালয় হতে জুনিয়র বৃত্তি লাভ করেন। চট্টগ্রাম হাই মাদ্রাসা হতে ১৯৫১ সালে মেট্রিক, ঢাকা কলেজ হতে ১৯৫৩ সালে এইচ.এস.সি অর্থনীতিতে সম্মানসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৫৬ সালে এম. এ পাশ করেন।এ ছাড়া পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম কলেজে অধ্যয়ন করেন।যুক্তরাজ্যের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৬৯ সালে পি.এইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬০ সালে সিএসপি অফিসার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর লিখিত বইগুলো হচ্ছে ফরেন এইড, ইকোনমিক্স ডেভেলপমেন্ট, এইড অব স্টেগনেশন, দি কোরানিক স্টোরিজ (বাংলা ও ইংরেজী সংকলন)। তিনি শিক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা, সমাজসেবা এবং দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে ‘বেইস’ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮৯ সালে নাওড়ায় মায়ের নামে করফুলেন্নেছা মহিলা কলেজ স্থাপন করেন। এ ছাড়া মৌলভীবাজার কলেজ, নারায়ণগঞ্জ মহিলা কলেজ, রংপুর বেগম রোকেয়া কলেজ ও মেহার কলেজ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। ১৯৯২ সালের ২৬ মে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
আলহাজ্ব হোসাইন আহম্মদ ১৯২৯ সালের ০১ ফেব্রুয়ারী চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলাধীন মেহা দক্ষিণ ইউনিয়নের দেবকরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আবদুল আজিজ ও মাতা আরাফাতুন্নেছা। কমিল্লা জিরা স্কুল হতে ১৯৪৪ সালে ১ম বিভাগে মেট্রিক (এস.এস.সি), কলিকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ হতে ১৯৪৬ সালে ১ম বিভাগে এইচ.এস.সি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৪৯ সালে অর্থনীতিতে বি.এ (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৫২-৫৩ খ্রিঃ সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করে ১৯৭৬-১৯৭৭ খ্রিঃ মহাপুলিশ পরিদর্শক এবং ১৯৭৯ সালে সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তাঁর অন্যতম অবদানের মধ্যে রয়েছে ১৯৭৯ সালে শাহরাস্তি উপজেলা থানা ভবন ও আবদুল আজিজ মাদ্রসা, আহম্মদনগর প্রতিষ্ঠা করেন।
মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম ১৯৪৩ সালে সেপ্টেম্বর মাসে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি পৌরসভায় ৪নং ওয়ার্ডের নাওড়া পাটওয়ারী বাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আশরাফ উল্লাহ এবং মাতা রহিমা বেগমের তিন ছেলে ও ছয় মেয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়। ১৯৪৯ সালে নাওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে প্রাথমিক, ১৯৫৯ সালে ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়া অন্নদা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক (এস.এস.সি), ১৯৬১ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে এইচ.এস.সি, ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে বি.এস.সি এবং ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের হার্বাড বিজনেস স্কুল থেকে ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালে আর্মি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের কমিশন লাভের পর সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৭০ সালে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস্ চট্টগ্রাম হেডকোয়াটারের এ্যাডজুট্যান্ট পদে যোগ দেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি ১নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর রনকৌশল, সাহসিকতা এবং বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ সর্বোচ্চ সম্মান ‘‘বীর উত্তম’’ উপাধি প্রদান করেন। তিনি ১৯৭২ সালের ২৯ এপ্রিল সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের প্রথম নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, ১৯৯৬ সালে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার সাংসদ, ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন থেকে ১৯৯৯ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে ও একই আসন হতে সাংসদ নির্বাচিত হন। তাঁর লিখিত বইগুলোর মধ্যে ‘এ টেল অব মিলিয়নস’ এবং ‘মুক্তির সোপানতলে’ উল্লেখযোগ্য।ি তনি শাহরাস্তি পৌরসভা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশন, করফুলেন্নেছা মহিলা কলেজকে ডিগ্রি কলেজ উন্নীতকরন এবং শাহরাস্তি ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ স্থাপনে অবদান রাখেন।
এডভোকেট মোঃ আবদুল করিম চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় নোয়াগাঁও  গ্রামে ১৯০১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাজী জালালউদ্দিন পাটওয়ারী, মাতার নাম রোকেয়া ভানু। তিনি নোয়গাঁও প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক, কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং কলিকাতা ‘ল’ কলেজ থেকে বি.এ.বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন। কর্মজীবনে তিনি আইনজীবি হিসেবে কুমিল্লা জর্জ কোর্টে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯৫৪ সালে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান পার্লামেন্ট সদস্য পদে নির্বাচিত হন। তিনি ৭১ বৎসর বয়সে ১৯৭২ সালে মৃত্যুবরন করেন।জনাব আলহাজ্ব আবদুল ওয়াদুদ খাঁনজনাব আলহাজ্ব আবদুল ওয়াদুদ খাঁন চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় খেড়িহর গ্রামে ১৯৩৮ সালে ১১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম আলহাজ্ব মাওলানা মোবারক উল্লাহ খাঁন ও মাতার নাম খায়রুননেছা। তিনি ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন। তিনি একজন প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার, পরিবহন, হ্যান্ডলিং ও সিপিং এজেন্সির বিভিন্ন কাজে জড়িত ছিলেন। খেড়িহর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, খেড়িহর মাদ্রাসা, খেড়িহর সাব পোষ্ট অফিস, সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি ১৯৮৮ সালে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৮ সালের ১১ মে মৃত্যুবরণ করেন।
মোঃ সিরাজুল ইসলাম চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় নিজমেহার গ্রামে ১৯৫২ সালে ২৯ ফেব্রুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোঃ ফরিজউদ্দিন এবং মাতার নাম বেগম গোলাপজাহান। তিনি ১৯৬৮ সালে রহিমানগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, ১৯৭০ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচ.এস.সি, ১৯৭৫ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে সম্মানসহ ১৯৭৬ সালে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালে সুপারিয়র পদে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী সচিব হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সরকারের সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি ২০০৯ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কার্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন। চাকুরী জীবনে তিনি মহাত্মাগান্ধী এওয়ার্ড, স্যার সলিমুল্লা এওয়ার্ড, বিজনেস এওয়ার্ড এবং সমাজকল্যাণ এওয়ার্ড লাভ করেন। তাঁর স্ত্রী পারভিন আক্তার একজন গৃহিনী। তিনি ৩ সন্তানের জনক।
মোঃ হাবীব উল্লাহ্ চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় গোলপুরা মজুমদার বাড়ীতে ১৯৫৪ সালের ৪ অক্টোবর মাসে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আলহাজ্ব মোঃ ইব্রাহিম মজুমদার এবং মাতার নাম মোসাম্মৎ অফিয়াখাতুন। তিনি মুড়াগাাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে ৪র্থ শ্রেণি, নিজমেহার উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে অংশ নিয়ে বৃত্তি লাভ করেন। ১৯৭০ সালে হাজীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি, ১৯৭২ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে এইচ.এস.সি, ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে (সম্মান) ১৯৭৬ সালে মাষ্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮১ সালে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে সহকারী কমিশনার পদে যোগদান করে বিভিন্নস্থানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা বিভাগের সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন এবং২০১১ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
মোহাম্মদ মহসীন চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নের উনকিলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবদুল মান্নাফ এবং মাতার নাম আমেনা বেগম। তিনি ১৯৭০ সালে চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুল থেকে এস.এস.সি, ১৯৭২(৭৩) সালে চট্টগ্রাম  কলেজ থেকে এইচ.এস.সি, ১৯৭৬ (৭৯) সালে অর্থনীতিতেসম্মান সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ পাশ করেন। ১৯৮১ সালে বি.সি.এস প্রশাসনে ক্যাডারে যোগদানের পর বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে সচিব পদে উন্নীত হন। ২০১০ সালের ডিসেম্বর স্বেচ্ছায় সচিব পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
উপজেলার ঐতিহ্যের মধ্যে- (রঃ) মাজার মসজিদ, দীনবন্ধু আশ্রম, সর্বানন্দ ঠাকুর আশ্রম, কালীমন্দির, নিজ মেহার সাহাপুর চৌধুরী বাড়ির দুর্গ, নাওড়া, পরানপুর ও বড়লিয়া মঠ, শাহরাস্তি বোগদাদী শাহ শরীফ (রঃ) মাজার। ঐতিহাসিক ঘটনাবলি  ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় নাওড়া, সূচীপাঢ়া এবং উনকিলার পূর্বাংশে বেলপুরের কাছে মিত্র বাহিনীর সাথে পাকবাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে মিত্র বাহিনীর ১৩ জন এবং পাকবাহিনীর ৩৫ জন সৈন্য নিহত হয়। শাহরাস্তি উপজেলার ঐতিহ্য।
দর্শনীয় স্থানের মধ্যে- হযরত শাহরাস্তি (রঃ) এর মাজার শরীফ, রাগৈ মুঘল আমলের ৩ গম্বু মসজিদ, শ্রী শ্রী মেহের কালিবাড়ী, নাওড়া মঠ, সাহাপুর রাজবাড়ি।
উল্লেখ্য, উপরোক্ত সকল তথ্যাদি বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন শাহরাস্তি উপজেলা পোর্টালের সর্বশেষ আপডেট থেকে হুবহু সংগৃহীত।
Facebook Comments

Check Also

কচুয়া সড়কে বোনের নাতির ঈদের কাপড় দিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন দাদি

মোঃ রাছেল, কচুয়া : বোনের নাতির জন্যে ঈদ উপহার দিয়ে বাড়ি অন্য বোনের বাড়িতে যেতে রওনা …

Shares
vv