ব্রেকিং নিউজঃ
Home / বিশেষ প্রতিবেদন / শাহরাস্তির উন্নয়ন ও দোয়াভাঙ্গা-লোটরা-পানিওয়ালা সড়ক নিয়ে বিভিন্ন মহলের যত কথা

শাহরাস্তির উন্নয়ন ও দোয়াভাঙ্গা-লোটরা-পানিওয়ালা সড়ক নিয়ে বিভিন্ন মহলের যত কথা

স্বপন কর্মকার মিঠুন, বার্তা সম্পাদক : শাহরাস্তি উপজেলার অভিশপ্ত সড়ক শাহরাস্তি গেইট দোয়াভাঙ্গা-লোটরা-পানিওয়ালা সড়ক। প্রতিনিয়ত হাজার হাজার জনসাধারণসহ বিভিন্ন যানবাহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
সড়কটির অধিকাংশ ক্ষতবিক্ষত বড় ছোট অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি দিয়ে যানবাহ চলাচলতো দুরের কথা পায়ে হেটে চলাচলও বিপদজন হয়ে উঠেছে । যানবাহন ও জনসাধারণ চলাচলে ভয়ংকর রুপ নেয়ায় সাধারণ লোকজন হাফিয়ে উঠছে। এমন অসহনিয় যন্ত্রনা,দুখ হতে উদ্ধার পেতে স্থানীয় সংসদ সদস্য’র জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য উপজেলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে বলেন, চাটখিল-চিতোষী-মোল্লাদর্জা-সূচীপাড়া সড়কটি গত ৮এপ্রিল/২০১৮ইং তারিখে মানণীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একনেকে অনুমোদন দিয়েছেন। অপর দিকে শাহরাস্তি গেইট (দোয়াভাঙ্গা)-লোটরা-পানিওয়ালা সড়কটির কাজ বন্ধ রাখতে একটি মহল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তদবির করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এতে সড়কটির কাজে বিলম্ব হচ্ছে। তবে সড়টি নিয়ে অামি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে কথা বলেছি। যতদ্রুত সম্ভম সড়কটির উন্নয়ন করতে অামি সর্বাত্বক কাজ করে যাচ্ছি। অাগামী কয়েক দিনের মধ্যে সড়কটির ব্যাপারে সু-সংবাদ অাসবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।
সড়কটির কাজ হচ্ছে, হবে বলে জনসাধারণ অাশার বাণী শুনে অাসতে অাসতে ধর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে পড়ায় তারা অার বিশ্বাস রাখতে পাচ্ছেন না। যে কোন সময় তারা সড়ক নির্মানের দাবিতে রাস্তায় নামতে পারে। শাহরাস্তি উপজেলার ডাকাতিয়া নদীর দক্ষিন পাড়ের ও লক্ষীপুর জেলার অধিকাংশ লোকজনের একমাত্র সহজ যোগাযোগ মাধ্যম ওই সড়কটি।
কেউ কেউ বলছে, নদীর দক্ষিন-উত্তর পাড় বলে কথা নয়, স্থানীয় সংসদ সদস্য উভয় পাড়ের জনসাধারণের দুঃখ দূর্দশার কথা চিন্তা করে তার সংসদিয় এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর উপর ৫টি ব্রীজ নির্মান করে নজির স্থাপন করেছেন। বিগত সরকার অামলেতো দক্ষিন উত্তর পাড়ের জনসাধারণের মধ্যে সেতু বন্ধনের চিন্তা করেনি। অতিতে যারা পারেনি বর্তমান সংসদ সদস্য উভয় পাড়ের লোকজনের মধ্যে সেতু বন্ধন করে দিয়েছে। রাস্তা-ঘাটও চলমান প্রক্রিয়ায় হচ্ছে।
এছাড়া উপজেলার ১০ ইউনিয়ন, পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের প্রতি তাকালেই বুঝা যায় বর্তমান সরকার অামলে বিগত সরকার অামলের তুলনায় কাজ হচ্ছে কী না। গত কয়েক দিন পুর্বে সুচিপাড়া উত্তর ইউনিয়ন এলাকা ঘুরতে গিয়ে দেখলাম ইউনিয়নের বিভিন্ন কাচাঁ রাস্তা পাকা করণ, পাকা রাস্তা পুনঃ সংস্কার, ব্রীজ, কালভাট নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ও কিছু কাজ চলমান এবং প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া ৪০ দিনের কর্মসূচি, কাবিটার কাজ হয়েছে ও চলমান রয়েছে। সে দিন দেখা হলো ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মজুমদারের সঙ্গে। তিনি বলছেন, অামার ইউনিয়ন এলাকায় বর্তমান সংসদ সদস্য মহোদয়ের অবদানে ব্যাপক উন্নয়মুলক কাজ চলছে। তিনি অামাদের অভিভাবক, কোনো কিছু চাওয়ার অাগেই তিনি জনসাধারণের সুখ,দুখের কথা চিন্তা করে কাজের বরাদ্দ দিয়ে অাসছেন। অামার ধারণা সম্প্রতি বরাদ্দকৃত কাজ গুলো সম্পন্ন হলে অাগামীতে কাজ থাকবে না ইউনিয়নে।
এছাড়াও বেশ কয়েকটি ইউপি চেয়ারম্যনের সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তারাও একই কথা বলেন। পৌর সভার ১২টি ওয়ার্ডে উন্নয়নের একই চিত্র ফুটে উঠছে। সমগ্র শাহরাস্তি উপজেলায় কোটি কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ হলেও শাহরাস্তি গেইট (দোয়াভাঙ্গা)-লোটরা -পানিওয়ালা সড়কের দিকে তাকালে মনে হয় এলাকায় কোনো উন্নয়নের ছোঁয়াই লাগেনি। এ যেন “এক বালতি দুধে এক ফোঁটা গো-চনা” পড়ার মতো।
সচেতন মহল বলছেন, হাজিগঞ্জ -শাহরাস্তি উপজেলা নিয়ে চাঁদপুর-৫ সংসদীয় এলাকা। শাহরাস্তি উপজেলায় ১০টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা এবং হাজিগঞ্জে ১২টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা বিদ্যমান। উভয় উপজেলাবাসীর অভিভাবক বর্তমান সংসদ সদস্য মহোদয়। অব্যশই তিনি উভয় উপজেলার উন্নয়ন কাজ নিয়ে সামনে এগুচ্ছেন। তিনি সবার উর্ধ্বে। অামরা একটি পরিবার নিয়ে কতো না চিন্তা করি, তেমনি তিনি দুইটি উপজেলাবাসীর অন্ন,বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজ করে যাচ্ছেন। তার করে দেয়া উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের স্তম্ভে দাঁড়িয়ে যারা মিথ্যা বক্তব্য দিচ্ছে তারা তো নিজেরাই বুঝে না তাদের পায়ের নীচ হতে মাটি সরে যাচ্ছে। সড়কের কাজ বন্ধ রাখতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে যারা তদবির করে তারা তো জনসাধারণকে শান্তি দিতে পারে না। তারা শুধু অপরের বদনাম অার নিজের গুন র্কীতন নিয়ে পঞ্চমুখ।
অামরা সংসদ সদস্য মহোদয়কে কাজ করার সময় দিতে হবে এবং তার বা বর্তমান সরকারের করা উন্নয়নমুলক কাজের পিরিস্তি জনসম্মুখে তুলে ধরা বিবেকবান ব্যাক্তির  নৈতিক দায়িত্ব।
Facebook Comments

Check Also

চাঁদপুরে কৌশল পরিবর্তন করে দেদারছে চলছে মা ইলিশ নিধন

এইচ.এম নিজাম : ইলিশের বংশবিস্তার প্রজনন ও ইলিশের বাড়ি খেত চাঁদপুর। মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন ইলিশ …

vv