ব্রেকিং নিউজঃ
Home / শীর্ষ / শাহরাস্তিতে সড়ক নির্মানের অনিয়মে সেতু মন্ত্রীকে সাংসদ মেজর রফিকের ডিও

শাহরাস্তিতে সড়ক নির্মানের অনিয়মে সেতু মন্ত্রীকে সাংসদ মেজর রফিকের ডিও

নোমান হোসেন আখন্দ : শাহরাস্তিতে প্রধান সড়ক দুটি নির্মানের অনিয়মে সেতু মন্ত্রীকে ডিত্ত দিয়েছেন সাংসদ মেজর(অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি চাঁদপুর সড়ক বিভাগের অধীনে রাস্তা দুটি নির্মানের অনিয়মে প্রসঙ্গে বিভিন্ন সুত্রে তথ্য উপাত্ত্য নিশ্চিতের ভিত্তিতে স্থানীয় সাংসদ মেজর (অব:) রফিকুল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম ও প্রস্তাবিত সুপারিশ বাস্তবায়নে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপির নিকট ডিও/ পত্র দিয়েছেন।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর ওই পত্রে তিনি উল্লেখ করেন, নির্মান কাজের শুরু থেকেই দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত ব্যাপক অনিয়মে লিপ্ত রয়েছে। তার মধ্যে মানহিন পোড়া মাটি, ইটের পরিবর্তে ব্যবহার অযোগ্য সুড়কী, শেওলা যুক্ত পাথর, রাবিশ, পাথরের বদলে বালির পরিমান বেশি দিয়ে কোন তোয়াক্কা না করেই রাস্তা প্রশস্তকরণের কাজ চালিয়ে আসছে। এমনকি রাস্তা প্রশস্তকরনের ক্ষেত্রে পুকুরের পাশে কোন ধরনের ভাঙ্গনরোধের ব্যবস্থা না করা এবং রাস্তা পরিস্কার না করে যেনতেন ভাবে পিচ ঢালাইয়ের কাজ করছে। যাতে সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাস্তার কার্পেটিং প্রয়োজন মত দেয়া হচ্ছে না ।

রাস্তা প্রশস্তকরণের ক্ষেত্রে ১৮ ফিট করার কথা থাকলে ও কোন কোন স্থানে ১৩ বা ১৪ ফিট কাজ করছে। তারা ১৮ ফিটের টাকা নিয়ে যাচ্ছে। মুদাফফরগজ্ঞ-চিতোষী রামগজ্ঞ মহাসড়কের অংশে (০৩) টি ব্রীজ (১) স্বেতীনারায়নপুর মোল্লারদজ্জা সংলগ্ন ব্রীজ (২) উঘারিয়া পুর্ব বাজার সংলগ্ন ব্রিজ (৩) কাঁলচৌ গ্রাম সংলগ্ন ব্রিজ ভেঙ্গে নতুন ভাবে বানানোর কথা ছিল। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্রিজগুলো নতুন ভাবে তৈরী না করে, পুরুনো ব্রীজগুলো সামান্য মেরামত ও প্রলেপ দিয়েই কাজ সমাপ্ত করে। তিনটি ব্রিজের পুরো টাকাই তারা তুলে নিয়েছে বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে দ্রুত তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

এছাড়া গত ৩ সেপ্টেম্বর অপর একটি পত্রে সড়কগুলো বিষয়ে একটি প্রস্তাবণা ও সুপারিশ প্রেরণ করেন। এতে উল্লেখ করেন, জলাশয় এলাকায় রাস্তার পাশে গার্ড ওয়াল বা প্যালাসাইডিং এর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যেসব স্থানে রাস্তাগুলো বাজারের মধ্যে বা নিচু এলাকায় সেখানে বিটুমিনের রাস্তা না করে কনর্কিট আরসিসি এর তৈরি প্রয়োজন।

শাহরাস্তি পৌর এলাকায় পাকা ড্রেন নির্মিত হয়েছে। সড়ক ও জনপদ এর রাস্তাগুলো ১৮ ফিট চওড়া হলে ড্রেনের ওয়াল পর্যন্ত কয়েক ফিট জায়গা খালি ও নিচু থাকবে। সেখানে পানি জমে রাস্তা নষ্ট হবে। দোয়াভাঙ্গা থেকে রেললাইন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ ফিট মাত্র। এই অংশে রাস্তাটি ১৮ ফিট থেকে বাড়িয়ে পাকা ড্রেনের ওয়ালের সাথে মিশিয়ে দিলে পানি জমার সম্ভাবণা থাকবেনা। চওড়ায় মাত্র ৬ বা ৭ ফিট বাড়াতে হবে-দৈর্ঘ্যে ৩শ ফিট হতে পারে। এই সংশোধনী কাজগুলো করতে সরকারের অতি সামান্য অর্থ ব্যায় হবে বলে তিনি উল্লেখ করেণ। তাতে রাস্তাগুলো বহু বৎসর ভালো থাকবে, এবং ভবিষ্যতে মেরামত বাবদ অর্থের অপচয় হবেনা।

এ ব্যাপারে আপনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন এই প্রত্যাশা করছি।


সম্পাদনায় : প্রিচাঁ/নিউজ কক্ষ/এম.আর/৭-১০/১৯

Facebook Comments

Check Also

চাঁদপুর তিন নদীর মোহনায় সিমেন্টের জাহাজ ডুবি

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর পদ্মা-মেঘনা ডাকাতিয়া তিন নদীর মোহনায় স্রোতের তোপে চাইর হাজার বস্তা বোঝাই সিমেন্টের …

vv