ব্রেকিং নিউজঃ
Home / প্রিয় অনুসন্ধান / শাহরাস্তিতে রফিক হত্যা মামলার ২৮ দিনেও গ্রেফতার হয়নি প্রধান আসামী

শাহরাস্তিতে রফিক হত্যা মামলার ২৮ দিনেও গ্রেফতার হয়নি প্রধান আসামী

স্বপন কর্মকার মিঠুন : শাহরাস্তিতে রফিক হত্যা মামলার ২৮দিন অতিবাহিত হতে চললেও গ্রেফতার হয়নি প্রধান আসামী। পাল্টা প্রধান আসামীর মা সাইমা বেগম (৪৫) বাদি হয়ে নিহত রফিকের ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী ইবাদুল হাসান মুন্না (১৭) ও মানিক মিয়ার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী রাকিবুল হাসান রাজন (১৭) ও একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র সাইফুল ইসলাম সাইফকে (১৫) এবং সহকারি প্রধান শিক্ষক মনির হোসেনকে সহ ১০জনকে বিবাদি করে বিজ্ঞ শাহরাস্তি আমলী আদালতে চাঁদপুরে মামলা করেছেন। যার নং ১৩, তারিখ ২২জানুয়ারী/২০২০ইং। গ্রেফতার আতংকে দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী ও দশম শ্রেনীর ছাত্র বিদ্যালয়ের পাঠ গ্রহন না করে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

জানা যায়, পাল্টা মামলায় মোট ১০ জনকে আসামী করা হয়। এর মধ্য নিহত রফিকের ছেলে ইবাদুল হাসান মুন্নাকে (১৭) ৭নং ও মানিক মিয়ার ছেলে রাকিবুল হাসান রাজনকে (১৭) ৮নং আসামী চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় হতে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারী শুরু হতে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার কথা রয়েছে। একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র ওসমান গনির ছেলে সাইফুল ইসলম সাইফকে (১৫) ৫নং আসামীর তালিকায় রাখা হয়। বর্তমানে ওই তিন ছাত্র পলাতক রয়েছে।

নিহত রফিকের স্ত্রী জানান, আমার স্বামীকে দিবালোকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে ক্ষ্যান্ত না হয়ে তারা আমার ছেলে ইবাদুল হাসান মুন্নার (১৭) বিরুদ্ধে মামলা করে তাঁর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন হতে সরিয়ে রাখতে ষড়যন্ত্র করে আসছে। স্বামী হারার পর সন্তানের ভবিষত জীবনের উপর খুনিরা আঁঘাত হেনে স্বামী হত্যার বিচার কার্যকে অন্যদিকে প্রভাবিত করতে এই মামলা করে।

পাল্টা মামলার অপরাপর বিবাদিরা হলেন, চেড়িয়ারা গ্রামের মহিউদ্দিন হক রুবেল (২৬),সিমু (২০), ইকবাল (৩৫), মেজবাউল হক রাতুল (২০), মোঃ মনির হোসেন (৫০), সফিক (৪০), ও শোরসাক গ্রামের হারুন ষষ্ঠি (৬০)।

পাল্টা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ ডিসেম্বর সকালে মিজান, মোঃ আবু সাঈদের সঙ্গে সাইফুল ইসলাম সাইফ ও ইবাদুল হাসান মুন্নার এলাকায় সিনিয়ার জুনিয়র বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাইফুল ও ইবাদুল মিজান এবং সাঈদকে খুন জখম করার জন্য পরিকল্পনা করিয়া সুযোগ খুঁজিত থাকে। ওই দিনই বিকাল ৪টায় মামলার ৩নং স্বাক্ষী কামালের সঙ্গে তার ফসলী ক্ষেতে কথা বলা অবস্থায় সকল আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিত তাহাদের সকলের সাধারণ মতলব অগ্রসারনের লক্ষ্যে ধারালো ছেনি, দা, ভারী লোহার রড, বাঁশের লাঠি সহ অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া মিজান, সাঈদ ও কামালকে এলোপাথারী মারধর শুরু করে। এবং ধারালো ছেনি দিয়ে হত্যার উদের্শ্যে মিজান, সাঈদকে কোপ দিয়ে মারাত্মক জখম করে। অপরাপর বিবাদিরা কামালকে লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে মারাত্মক জখম করে। এবং মামলা মোকদ্দমা করিলে তাদের সহ পরিবারের লোকজনকে খুন, গুম করার হমকী দেয়।

অপর দিকে স্থানীয়দের দাবি পাল্টা মামলার ২নং স্বাক্ষী মো. আবু সাঈদ প্রকাশ সোহেল রফিক হত্যা মামলার প্রধান আসামী তার বাড়ি চেড়িয়ারা হলেও ২নং স্বাক্ষী মিজান স্থানীয় এলাকায় অপরিচিত হওয়ায় তাকে ঢাকা থেকে খুনি হিসেবে বাড়া করে আনা হয়েছে বলে ধারণা করেন।

Facebook Comments

Check Also

কচুয়া পশ্চিম সহদেবপুর বাজার লকডাউন

কচুয়া প্রতিনিধি : মহামারী করোনার প্রভার থেকে মুক্তি পেতে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের …

vv