ব্রেকিং নিউজঃ
Home / প্রিয় চাঁদপুর / প্রিয় শহরাস্তি / শাহরাস্তিতে ব্যাংকারসহ করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৮৬

শাহরাস্তিতে ব্যাংকারসহ করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৮৬

মোঃ মাসুদ রানা : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ প্রকোপে নতুন করে ব্যাংকারসহ ২ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে এ উপজেলায় আক্রান্তের পরিসংখ্যানে মোট রোগী ৮৬ জনে বৃদ্ধি পেয়ে জেলায় সসর্বোচ্চ দ্বিতীয় অবস্থানে দাঁড়িয়েছে।

হঠাৎ করে লাফিয়ে লাফিয়ে এ ভাইরাসের রোগীর ঊর্ধ্বমুখী প্রবনতায় স্থানীয়দের মাঝে চরম উৎকণ্ঠা ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি লকডাউন শিথিল,গণমানুষের অবাধ বিচরণ, নমুনা দিতে আসা রোগীর অসতর্কতায় এই বিস্ফোরণ মুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার ২৫জুন বিকেলে চাঁদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয় হতে প্রেরিত রিপোর্টে আক্রান্তের বিষয়টি শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ প্রতীক সেন ইউএইচএফপিও এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি আরো বলেন, এ পর্যন্ত কোভিড-১৯ শনাক্তকরণে ৪৫১ জনের নমুনা পাঠানো হয়।তার মধ্যে প্রাপ্ত ৩১৪ জনের নমুনা রিপোর্টে ২২২জনের নেগেটিভ এবং ৮৬ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। এর মধ্যে ৪ জনের মৃত্যু এবং ১৮জন সুস্থ্য হয়েছেন। আক্রান্ত রোগীদের বিষয়টি ভাইরাল হতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তারের পরামর্শে শাহরাস্তি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ আলম শনাক্তদের বাড়ি লকডাউন করে দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শাহরাস্তিতে চিতোষী পশ্চিম ইউপির আয়নাতলী বাজারে অবস্থিত কৃষি ব্যাংক (বিকেবি)শাখার সেকেন্ড অফিসার আব্দুর রব চলতি মাসের ২জুন অসুস্থতা বোধ করেন । এরই মধ্যে তিনি শুষ্ক কাশি, সর্দি ও জ্বর আক্রান্ত হন। পরে অসুস্থতা বৃদ্ধি পেলে শাখা ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) মোঃ মিলন হোসেন তাকে হোম কোয়ারেন্টিনে থেকে কোভিড নমুনা দেওয়ার পরামর্শ দেন। ওই হিসেবে তিনি গত ৯ জুন থেকে ব্যাংকে আসা বন্ধ করে দেন। এরপর তিনি গত ১৪ জুন কোভিড নমুনা দিয়ে হোম আইসোলেশনে চলে যান। অবশেষে ২৫শে জুন তার নমুনা রিপোর্টে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়।

ওই শাখার ব্যবস্থাপক আরো জানান, তিনি বর্তমানে শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।এদিকে একইদিন টামটা উত্তর ইউপির বলশীদ দৈলবাড়ির(আহছান গাজী বাড়ির)মফিজুর রহমানের স্ত্রী হাফিজা (৫৫) করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে ।

করোনা আক্রান্ত রোগীদের বিষয়ে ডাঃ প্রতিক সেন বলেন, রোগীরা সময়মত বিভিন্ন কারণে দ্বিতীয় নমুনা দিতে দেরি হলে “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র গাইডলাইন”অনুসারে ২১ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরে আক্রান্ত ব্যাক্তি প্রাথমিকভাবে ঝুঁকি মুক্ত রয়েছেন বলে বিবেচিত হয়।

পরবর্তীতে সুযোগ করে ওই কোভিড রোগী নমুনা দিয়ে তার রিপোর্ট নেগেটিভ নিশ্চিত হতে পারেন । তার চেয়ে অধিক সময় অতিবাহিত হলে তিনি নিরাপদ রয়েছেন বলে বিবেচিত হবেন।এর মধ্যে অবশ্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোম কোয়ারেন্টিন ও হোম আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে, সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করতে হবে।

Facebook Comments

Check Also

শাহরাস্তিতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলো ২৫০ শ্রেণি পেশার মানুষ

মোঃ মাসুদ রানা : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ২৫০ জন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে …

vv