ব্রেকিং নিউজঃ
Home / শীর্ষ / ব্রীজে উঠতে সাঁকো! অসমাপ্ত কাজের অপেক্ষায় ৭ বছর

ব্রীজে উঠতে সাঁকো! অসমাপ্ত কাজের অপেক্ষায় ৭ বছর

মতলব উত্তরে লুধুয়া-নান্দুরকান্দি খাল

মতলব উত্তর উপজেলার ১০নং ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের লুধুয়া-নান্দুরকান্দি সংযোগ সড়কে ২০১০ সালে নির্মিত হয়েছে পাকা ব্রীজ। এ ব্রীজ থাকা সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়েই যাতায়াত করছে হাজারো মানুষ। বাধ্য হয়েই লুধুয়া স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র/ছাত্রী, কৃষক-শ্রমিক ও সাধারণ পথচারী এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়তই যাতায়াত করছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রী, কৃষক-শ্রমিক ও সাধারন পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ব্রিজের দু’পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করেই জীবনের চাকা ঘুরাচ্ছেন লুধুয়া, নান্দুরকান্দি ও ফরিদকান্দিসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন। কয়েক গ্রামের সাথে যোগাযোগের সহজপথ হল এ সড়কটি। লুধুয়া স্কুল ও কলেজে প্রতিদিন অনেক ছাত্র-ছাত্রী এই রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়া করে।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় দীর্ঘ অর্ধযুগ আগে ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হলেও ব্রিজে উঠার জন্য দুই পাশের সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। যার ফলে অত্র এলাকার যাতায়াতের যেমনি দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তেমনি স্কুল ও কলেজ পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদের আসা যাওয়ার জন্য ভোগান্তি হতে হয় প্রতিনিয়ত। ব্রিজের সংযোগ স্থলে নির্মিত দীর্ঘ ২০০ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকো প্রায় সময়ই ভেঙ্গে যায়। তখন স্কুল ও কলেজের নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হয়।

একাধিক পথচারীর সাথে আলাপকালে তারা জানান, ২০১০ সালে নির্মিত হয়েছে উক্ত ব্রিজটি। প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেও কোন কাজে আসছে না ব্রিজটি। তাদের মন্তব্য এমন ব্রিজের দরকার কি? যে ব্রিজ থাকা সত্ত্বেও বাঁশের সাকো দিয়ে চলাচল করতে হয়।

এ ব্রিজটি দু’পাশে অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করে স্থানীয়দের ঝুঁকিমুক্ত যাতায়াত ব্যবস্থায় নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ অচিরেই এগিয়ে এসে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীদের অভিমত।

প্রতিবেদন: মনিরুল ইসরাম মনির

Facebook Comments

Check Also

হাইমচরে দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ ডাকাতকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ

মোঃ সাজ্জাদ হোসেন রনি, হাইমচর : চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলায় নীলকমল নৌ-পুলিশের ইনচার্জ আবদুল জলিলের …

vv