ব্রেকিং নিউজঃ
Home / অর্থনীতি / বাজারে আসতে শুরু করেছে চাঁদপুরের পেঁয়াজ-রসুন : এবার উৎপাদন লক্ষ্য ৯ হাজার মে. টন

বাজারে আসতে শুরু করেছে চাঁদপুরের পেঁয়াজ-রসুন : এবার উৎপাদন লক্ষ্য ৯ হাজার মে. টন

প্রিয় চাঁদপুর রিপোর্ট : চাঁদপুর জেলার ৭ উপজেলায় এ বছর ১ হাজার ৪শ’ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ-রসুনের আবাদ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯ হাজার ২২৮ মে.টন। চলতি মৌসুমে চাঁদপুরের হাইমচরে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ-রসুনের চাষাবাদ ও উৎপাদন হচ্ছে বলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। ইতিমধ্যেই চাঁদপুরের চাষ করা পেঁয়াজ ও রসুন বাজারে উঠতে শুরু করেছে।

দেশের বিভিন্ন জেলার তুলনায় জরিপে দেখা গেছে, চাঁদপুর দেশের অন্যতম নদীবিধৌত কৃষি প্রধান অঞ্চল। পদ্মা, মেঘনা, মেঘনা-ধনাগোদা ও ডাকাতিয়া নদীর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় কৃষি উৎপাদনে নদী অববাহিকায় ব্যাপক ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। নদীর তীর এলাকাগুলোতে ব্যাপক হারে এর চাষাবাদ ও উৎপাদন হচ্ছে।

চাঁদপুরে ধান, পাট, আলু, সয়াবিন, পেঁয়াজ-রসূন, ভুট্টা চাষাবাদ হয়ে থাকে বলে কৃষি বিভাগের তথ্য সূত্রে জানা যায়। চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলার শাহরাস্তি উপজেলা ব্যতীত ৭ উপজেলায় এবার পেঁয়াজের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ২২৮ মে.টন। এ মৌসুমে চাঁদপুরের হাইমচরে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ রসুনের চাষ হচ্ছে। এরমধ্যে পেঁয়াজের উৎপাদন ৬ হাজার ১১৮ মেট্রিকটন এবং রসুনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ১শ’ মেট্রিকটন।

কৃষি অফিস জানায়, চাঁদপুর সদরে পেঁয়াজ-রসুনের চাষাবাদ লক্ষ্যমাত্রা ১৩০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৬২ মেট্রিক টন, মতলব উত্তরে চাষাবাদ হয়েছে ১৪০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৩২ মেট্রিক টন। মতলব দক্ষিণে চাষাবাদ হয়েছে ৭৫ হেক্টর, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৫৫৮ মেট্রিকটন। হাজীগঞ্জে চাষ হয়েছে ১০৫ হেক্টরে এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৭৭৭ মেট্রিকটন। কচুয়ায় চাষ হয়েছে ৩০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২৩ মেট্রিকটন। ফরিদগঞ্জে ১০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ মেট্রিকটন এবং হাইমচরে ৯১০ হেক্টর জমির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৯০৩ মেট্রিক টন।

চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আব্দুর রশিদ জানান, চাঁদপুরে পণ্য পরিবহন সুবিধা, কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ, কৃষি বিভাগের উৎপাদন, প্রযুক্তি প্রদান, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা, বীজ, সার ও কীটনাশক ব্যবহারে কৃষিবিদদের সঠিক পরামর্শ এবং ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ প্রদানের কারণে চাঁদপুরের চাষিরা ব্যাপকহারে পেঁয়াজ রসুন ও সরিষার চাষ করছেন। এতে তারা লাভবান হচ্ছেন বলেও জানান তিনি। এ বছর আবহাওয়া ও পরিবেশ অনুকূল থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Facebook Comments

Check Also

কচুয়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১’র মতবিনিময়

মোঃ রাছেল : চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ কচুয়া জোনাল অফিসের আয়োজনে অফিসের সভাকক্ষে বুধবার বিকেলে …

vv