ব্রেকিং নিউজঃ
Home / প্রিয় অনুসন্ধান / পদ্মা সেতুর ব্যবহৃত চোরাই রড ও লোহার প্লেট চাঁদপুরের চট্টগ্রাম লৌহ বিতানে বিক্রি

পদ্মা সেতুর ব্যবহৃত চোরাই রড ও লোহার প্লেট চাঁদপুরের চট্টগ্রাম লৌহ বিতানে বিক্রি

স্টাফ রিপোর্টার : পদ্মা সেতু ব্যবহৃত অবশিষ্ট মালামালের মধ্যে রড ও লৌহজাতীয় প্লেট চোরাই ভাবে চাঁদপুরে এনে বিক্রি করছে।
চাঁদপুর শহরের ৫ নম্বর ঘাট চট্টগ্রাম লৌহ বিতান নামে দোকানের স্বত্বাধিকারী রতন কান্তি দাস ও মৃদুল কান্তি দাসের কাছে এই চোরাই লৌহ জাতীয় মালামাল বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার ইসমাইলের ছেলে ফয়সাল নূর ইসলাম (৩৫) পদ্মা সেতুর ব্যবহৃত পুরাতন লোহার প্লেট ও মোটা পাইপ চাঁদপুর কসাই ঘাট এলাকায় এনে রাখেন। সেখান থেকে স্টিল বডি ট্রলারে সেই চোরাই মাল উঠিয়ে পাঁচ নাম্বার ঘাট এনে পুরাতন লোহার দোকান মৃদুল কান্তি দাসের কাছে বিক্রি করে।
চট্টগ্রামের মেসার্স নবী এন্টারপ্রাইজের নাম ভাঙ্গিয়ে ফয়সাল নূর ইসলাম ভুয়া কাগজ বানিয়ে এনে সোমবার চাঁদপুর ৫ নং ঘাট চট্টগ্রাম লৌহ বিতানের মৃদুল কান্তি দাস এর কাছে বিক্রি করে। পদ্মা সেতু ব্যবহৃত অবশিষ্ট লোহার প্লেট ও মোটা পাইপ চাঁদপুরে এনে বেশ কয়েকজন পুরাতন লোহার ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করার চেষ্টা করে।
চোরাই লোহার খবর জানতে পেরে কোন দোকানদার সেই লোহার প্লেট কিনতে রাজি না হওয়ায় অবশেষে কসাই ঘাট এলাকার তেলের ব্যবসায়ী তাজুর মারফতে নোয়াখালী ফয়সাল নুর ইসলাম পুরাতন লোহার ব্যবসায়ী রতন বাবু ও মৃদুল বাবুর কাছে বিক্রি করে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম লৌহ বিতানের স্বত্বাধিকারী মৃদুল কান্তি দাস জানান, কসাই ঘটের তেলের ব্যবসায়ী তাজুর মারফতে লোহার মোটা পেট গুলি ক্রয় করেছি। নোয়াখালী ব্যবসায়ী ফয়সাল নুর চাঁদপুর ১০ নম্বর ঘাট তাজমহল হোটেল থেকে এর পূর্বে অনেক লোহার মালামাল বিক্রি করেছে। তারা চট্টগ্রাম থেকে প্লেটগুলো কিনেছে মর্মে একটি রশিদ দেখালে মালগুলো ৪২ টাকা কেজিতে কিনা হয়।
নোয়াখালীর বাসিন্দা ফয়সাল নূর ইসলাম জানায়, বিভিন্ন ঠিকাদারি বড় বড় কাজ দায়িত্ব নিয়ে আমরা করে থাকি। লোহার প্লেট গুলো চট্টগ্রাম থেকে কিনা হয়েছে কাজে না লাগায় আবার কম দামে চাঁদপুরে এনে বিক্রি করা হয়েছে। পদ্মা সেতুর ব্যবহৃত চোরাই লোহা ক্রয়-বিক্রয়ের খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার সাথে সাথেই চোরাই মালের মালিক ফয়সাল নুর ইসলাম পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এদিকে কিছুদিন পরপরই রাতের আধারে ৫ নম্বর ঘাটে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে সরকারি চোরাই মাল টলারে এনে রতন ও তার ভাই মৃদুল কান্তি দাস এর কাছে বিক্রি করে।গত তিন দিন পূর্বে মৃদুল কান্তি দাস তার গোডাউন থেকে এক ট্রাক চোরাই লোহা রাতের আধারে লোড করে ঢাকা রোলিং মিলে বিক্রি করেছেন।
চোরাই মাল ক্রয় বিক্রয় করে চট্টগ্রাম লৌহবিধানের স্বত্বাধিকারী তারা দুই ভাই কোটিপতি বনে গেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তদন্ত সাপেক্ষে এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
Facebook Comments

Check Also

সুনামগঞ্জে ইউএনও-এর নম্বর ক্লােন করে টাকা দাবি

রাজু আহমেদ রমজান, সুনামগঞ্জ : জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান-এর সরকারি মোবাইল নম্বর ক্লােন করে …

Shares
vv