ব্রেকিং নিউজঃ
Home / দেশজুড়ে / নিভৃতচারী সেবক লুৎফুর রহমান নাঈম

নিভৃতচারী সেবক লুৎফুর রহমান নাঈম

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ : মানবতার তাগিদে জীবন বাঁচাতে রক্তদানে ছুটে চলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক কিংবা শুভাকাঙ্খীদের দেয়া সংবাদে হাজির হন রক্তের প্রয়ােজন এমন ব্যাক্তির পাশে। অনেকটা নিভৃতে জীবন বাঁচাতে এ পর্যন্ত  ১১বার রক্ত দিয়েছেন তিনি। দান করেন সাধ্যনুযায়ী। পরােপকারী মহান এই সেবককে নিয়ে আগামীর স্বপ্ন দেখছেন স্হানীয়রা এমনটাই জানা গেছে অনুসন্ধানে।
বলছি লুৎফুর রহমান নাঈম (৩৫) এর কথা। সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের মিয়ারচর গ্রামের প্রয়াত রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধি নজরুল ইসলামের  ছেলে তিনি।
জীবদ্দশায় তাঁর বাবা বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে ছিলেন। স্বচ্চ এই রাজনীতিক উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদেও ছিলেন। মিয়ারচর পাচগাঁও হাজী ফর্সা মড়ল দারুল উলুম মাদরাসা ও পাঠানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা-ভূমিদাতা তিনি।
জানা গেছে, ইতিবাচক রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন লুৎফুর রহমান। সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্যপদে রয়েছেন উদীয়মান এ রাজনীতিক।  দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে প্রশংসা কুড়িয়েছেন উপর মহলে।
জনসেবা ও রাজনৈতিক পরিমন্ডলের মধ্যে বেড়ে উঠা লুৎফুর রহমান  ইতিপূর্বে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, স্হানীয় দিগেন্দ্র বর্মণ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক ও দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্বপালন করেছেন তিনি। মিয়ারচর মাদরাসা ও পাঠানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য থেকে বর্তমানে সভাপতি পদে রয়েছেন এই শিক্ষানুরাগী। মিয়ারচর কমিউনিটি ক্লিনিকের দাতা সদস্য থেকে বর্তমানে সহ-সভাপতি পদে এবং পাঠানপাড়া জামে মসজিদের ভূমিদাতাও তিনি। এছাড়া আরও বিভিন্ন সামাজিক সংঘটনের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্হানীয় আমরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লুৎফুর রহমান মাস্টার্স কমপ্লেট শেযে পারিবারিকভাবে অর্জিত সম্পদ দেখবালের পাশাপাশি যুবলীগের রাজনীতিতে রয়েছেন সক্রিয়ভাবে।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবলীগকর্মী সুলাইমান হেকিম সিকদার,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বিপ্লব হােসেন সহ অনেকে বলেন, লুৎফুর রহমান নাইম ভাই একজন সজ্জন-স্বচ্চ ব্যক্তিত্ব। দূর্যােগে-দুৎসময়ে মানুষ তাঁকে পাশে পায়। আমরা তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যত প্রত্যাশা করি।
এ প্রসঙ্গে লুৎফুর রহমান বলেন, সৃষ্টির সেরা মানুষ আমরা। একে ওপরের পাশে থাকার নামই জীবন। যতটুকু সম্ভব মানুযের জন্য কিছু করতে পারলে আত্মতৃপ্তি পাই। আমৃত্যু মানবসেবায় থাকতে চান নিভৃতচারী এই সেবক।
Facebook Comments

Check Also

কচুয়া সড়কে বোনের নাতির ঈদের কাপড় দিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন দাদি

মোঃ রাছেল, কচুয়া : বোনের নাতির জন্যে ঈদ উপহার দিয়ে বাড়ি অন্য বোনের বাড়িতে যেতে রওনা …

Shares
vv