ব্রেকিং নিউজঃ
Home / শীর্ষ / দেখার কেউ নাই : শাহরাস্তিতে ১শ’৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মান কাজে অনিয়ম

দেখার কেউ নাই : শাহরাস্তিতে ১শ’৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মান কাজে অনিয়ম

নোমান হোসেন আখন্দ, শাহরাস্তি : শাহরাস্তিতে ১৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান ৩টি সড়ক নির্মান কাজে অনিয়ম ও ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। যেন দেখার কেউ নাই।

চাঁদপুর-৫ নির্বাচনী আসন (শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ) এলাকার সংসদ সদস্য মহান মুক্তিযুদ্ধের ১ নং সেক্টর কমান্ডার, মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের দীর্ঘদিনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আর জনগণের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ১৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে মেহার কালীবাড়ী হয়ে শোরশাক-লোটরা-পানিয়ালা সড়ক, দোয়াভাঙ্গা-কালিবাড়ী-সুচীপাড়া-আয়নাতলী-উঘারিয়া মোল্লারদজ্জা সড়ক ও চিতোষী-নরিংপুর সড়ক (শাহরাস্তি অংশ) ৩টি সড়ক নির্মানাধীন।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সওজ) বাস্তবায়নাধীন সড়ক গুলো নির্মানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের মনগড়া ভাবে সিডিউল ব্যতিরেকে কাজ করে চলেছেন।

৩টি সড়ক নির্মানের সিডিউলে পুরোনো সড়কের মালামাল নরম ইটা, মাটি, বালি, কার্পেটিং ও ৩ ফুট মাটি সরিয়ে সম্পূণ নতুন ভাবে ১ নং পাথর ও বালি দিয়ে ১৮ ফুট কার্পেটিং অংশ এবং ২ পাশে ৩ফুট করে ৬ ফুট চলাচলের রাস্তা সহ ২৪ ফুট রাস্তা নির্মানের কথা সিডিউলে উল্লেখ থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গুলো পুরোনো রাস্তার মেয়াদ উত্তীর্ণ ইটা, বালি, কার্পেটিং সড়ক থেকে তুলে নিয়ে ওই মালামালের সাথে নতুন আংশিক বালি মিশিয়ে সড়কের প্রধান স্টাকচার (সেড) নির্মান করা হচ্ছে। যেখানে সড়ক গুলোতে সম্পূর্ণ পাথর ও বালি দিয়ে প্রধান স্টাকচার (সেড) নির্মান করার নিয়ম থাকলেও তা করা হচ্ছে না।

এখন এ সকল সড়কের স্থায়ীত্ব নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, কতদিন টিকবে এ সকল সড়ক? এছাড়া কার্পেটিংকৃত কিছু অংশে তৈল কম দিয়ে নিম্নমানের মরা পাথর দিয়ে কাজ করার অভিযোগ রয়েছে।

দীর্ঘদিন সড়কের ঢিলে ঢালা কাজ চলমান থাকায় প্রতিনিয়তই জনভোগান্তি শিকার হচ্ছে জনসাধারণ। উপজেলা সদরে আসার প্রধান গেট দোয়াভাঙ্গায় সড়কের কাজ চলমান থাকায় যাত্রীরা ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে আটকে কালিয়াপাড়া, উপলতা ও মেহের করবা কাজিরকামতা ঘুরে উপজেলার প্রানকেন্দ্র ঠাকুরবাজার, কালিবাড়ী ও অফিসপাড়ায় সময়ের বিড়ম্ভনায় পড়তে হচ্ছে। সড়ক গুলোর পাশে খাল ও পুকুরের অংশে নিরাপত্ত বেস্টনি দিয়ে মাটি ভরাট করে রাস্তার পাশ তৈরি করার নিয়ম থাকলে ও তা না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে কিছু অংশে সড়ক গুলো পুকুর ও খালে ধাবিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ( এস ডি) হাজীগঞ্জ গোলাম ফারুক এর সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি বদলী হয়ে গেছি। এ সড়কের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না।

এ সড়কের দায়িত্বে নিয়োজিত ঠিকাদার কোম্পানীর সাথে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করে ও তাদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সড়কে নিয়োজিত ঠিকাদার কোম্পানীর কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানান, ঠিকাদাররা আমাদের যেভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে সে ভাবেই আমরা কাজ করছি, পুরোনো সড়কের মালামাল গুলো সিডিউলে ধরা রয়েছে বলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমাদের জানিয়েছে। সচেতন এলাকাবাসী সড়কের যথাযথ মান, তদারকি বৃদ্ধি, ও সিডিউল অনুযায়ী সড়কগুলোর কাজ সম্পন্ন করতে সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপর্ক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebook Comments

Check Also

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শিশুটি চাঁদপুরের, মায়ের খোঁজ মিলছে না

স্টাফ রিপোর্টার : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটির পরিচয় মিলেছে। তার নাম …

vv