ব্রেকিং নিউজঃ
Home / ক্যাম্পাস / চাঁদপুর সরকারি কলেজে সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন

চাঁদপুর সরকারি কলেজে সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক : ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ চাঁদপুর সরকারি কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ মার্চ-২০২১ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিবসটির কর্মসূচীর শুভসূচনা ঘটে।

সকাল ৮টায় অঙ্গীকার পাদদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন কলেজ শিক্ষক কর্মকর্তাবৃন্দ (অনধিক ৫ জন)। সকাল ৯ টায় কলেজ ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর স্মারক স্তম্ভ ও স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন কলেজ শিক্ষক কর্মকর্তাবৃন্দ। এরপর সকাল সাড়ে ৯ টায় শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে শুরু হয় সেমিনার।

উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আবুল খায়ের সরকার এর সভাপ্রধানে ‘‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও আমাদের প্রাপ্তি’’ শীর্ষক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কিউ এম হাসান শাহরিয়ার। বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ সাইদুজ্জামানের সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাশ। উপস্থাপিত প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ আলাউদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর অসিত বরণ দাশ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদান সকল বীরসেনানীকে। স্মরণ করেন জাতীয় চারনেতাসহ ৭৫ এর ১৫ আগস্ট বেগম মুজিবসহ সকল শহীদকে। তিনি বলেন, ‘‘মহান স্রষ্টাকে ধন্যবাদ, তিনি শেখ মুজিবের মত একজন মহান ব্যক্তিকে আমাদের বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন, যার হাত ধরে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। যদি মুজিব না হত, তবে বাংলাদেশ সৃষ্টি হত না।

তিনি আমাদেরকে স্বাধীনতা এসে দিয়েছেন, তিনি আমাদেরকে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, আজ তাঁর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে আমরা স্বপ্রে সোনার বাংলার দ্বারপ্রান্তে।’’ তিনি সেমিনার আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর মোঃ আবুল খায়ের সরকার গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বিশ্বের অনেক দেশ এখন বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা দেখছেন। এই করোনাকালীন সময়েও আমাদের অর্থনীতির অগ্রযাত্রা অব্যাহত আছে, মুজিব কন্যা শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে।’’

সকাল এগারটায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পুত্র-কন্যার পুত্র-কন্যাদের সংবর্ধনা দেয়া হয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বাদ জুমা কলেজ কেন্দ্রীয় মসজিদে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

Facebook Comments

Check Also

কচুয়া সড়কে বোনের নাতির ঈদের কাপড় দিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন দাদি

মোঃ রাছেল, কচুয়া : বোনের নাতির জন্যে ঈদ উপহার দিয়ে বাড়ি অন্য বোনের বাড়িতে যেতে রওনা …

Shares
vv