ব্রেকিং নিউজঃ
Home / সমস্যা-সম্ভাবনা / চাঁদপুর সফরমালী গো’হাট সরকারি নীতিমালায় ইজারা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত গৃহীত

চাঁদপুর সফরমালী গো’হাট সরকারি নীতিমালায় ইজারা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত গৃহীত

সজীব খান : চাঁদপুর জেলার সর্ববৃহত গো-হাট সদর উপজেলার কল্যানপুর ও বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মধ্যবত্তী সীমানার সফরমালী গরুর বাজারটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইজারাবিহীন ভাবেই কয়েক যুগ চলার পর অবশেষে এ বাজারটি সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ইজারা প্রদানের বিষয়ে সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহীত হয়েছে।

অক্টোবর মাসের ১০ তারিখে উপজেলা পরিষদের মাসিক মিটিংয়ে এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। কল্যানপুর ইউপি চেয়ারম্যান সফরমালী গরুর বাজারটি কিছু অসাধু ব্যক্তি মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার নাম দিয়ে টাকা উত্তোলন করে আসছে, যার কারনে সরকার বছরে কয়েক লাখ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে, এ বিষয়ে আলোচনা করলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমাকে বাজারের নতীপত্র দেখে সরকারি নীতিমালায় ইজারা দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এ বাজারটি সপ্তাহের প্রতি সোমবারে বসে, যেখানে চাঁদপুর সদর উপজেলাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার গরুর বেপারীসহ সাধারন ক্রেতা বিক্রেতা নিয়মিতই পশু ক্রয়- বিক্রয় করার জন্য ছুটে আসে। পশু বিক্রয় বাবদ প্রতি সপ্তাহেই কয়েক লক্ষ টাকা বাজার কমিটি হাসিল আদায় করে আসছে, বছরে এ বাজার থেকে কোটি কোটি টাকা বাজার কর্তৃপক্ষ আদায় করছে আসছে। যা একটি মহল নামমাত্র বিভিন্ন স্থানে দান দেখাচ্ছে। এর ফলে সরকার বছরে কোটি কোটি টাকা বছরে রাজস্ব হারাচ্ছে। এ নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী ও জেলার সচেতন মহলের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এলাকাবাসী জানান, প্রতি বছর এ বাজারটি ইজারা হলে সরকারি কোষাগারে লাখ-লাখ টাকা জমা পড়বে। দীর্ঘদিন যাবৎ এ বাজারটি একটি পরিবারের কাছে জিম্মি রয়েছে। তারা এলাকার কিছু ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে বাজারটি পরিচালনা করে আসছে। বাজারটি ইজারার মাধ্যমে পরিচালনা করার জন্য এলাকাবাসী জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের সবার কাছে দাবি জানিয়েছে।

এ বাজারটিতে যানবাহনগুলো নির্বিঘ্নে যাতায়াত করছে। কিন্তু সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কগুলো নষ্ট হচ্ছে। আর সেই বাজারে সরকারের কোন ইজারা না থাকায় বাজারে আশা সচেতন ক্রেতাদের মাঝে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রশাসনের চোখের সামনে কিভাবে বাজারটি ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালনা হচ্ছে- এ নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান বলেন সফরমালী এ বাজারটি ব্যাক্তি পর্যায়ে টোল আদায়ের কোন বিধান নেই, এ বাজারটি একটি শ্রেণী হাইকোটে মামলার অযুহাত দেখিয়ে টোল আদায় করে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার নের্তৃত্বে একটি কমিটি করে মামলার নতীপত্র দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তাই বাজারটি দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করে ইজারার ব্যবস্থা করার জন্য স্থানীয়রা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

Facebook Comments

Check Also

চাঁদপুরে হাইভোল্টেজ বিদ্যুতের লাইন ভেতরে রেখেই ভবন নির্মাণ!

অমরেশ দত্ত জয় : এটিকে ‘মরণ ফাঁদ’ বললেও বোধ হয় কম বলা হবে। এ যেন …

vv