ব্রেকিং নিউজঃ
Home / প্রিয় অনুসন্ধান / চাঁদপুর পুরানবাজারে এক ধার্মিকের লম্পটাপনায় তোলপাড় !
প্রতীকী ছবি অবলস্বনে

চাঁদপুর পুরানবাজারে এক ধার্মিকের লম্পটাপনায় তোলপাড় !

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর শহরের পুরানবাজারে সনাতনাধর্মালম্বি এক ধার্মিকের লম্পটাপনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যা নিয়ে যেকোন মূহুর্তে এলাকার সচেতন মহল ও সনাতনধর্মালম্বি সাধারণ মানুষের এই উত্তেজনা প্রকট আকারে রূপ নিতে পারে। অবশ্য যাকে নিয়ে এই ক্ষোভ ও লম্পটাপনার অভিযোগ তিনি চাঁদপুর জেলার স্থায়ী কোন বাসিন্দা নন। অথচ তার একের পর এক লম্পটাপনার স্বীকার হচ্ছে চাঁদপুরের সনাতনধর্মালম্বী যুবতী অবিবাহিত ও বিবাহিত নারীরা।
এলাকাবাসী ও সনাতনধর্মালম্বী একাধিক সূত্রে জানা যায়, এই প্রতারক নিজের দুঃচরিত্র লম্পটাপটার পরিচয় গোপন রেখে পুরানবাজার হরিসভাস্থ সনাতনধর্মালম্বী এক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ‘অধ্যক্ষ’ এর দায়িত্ব নেন। তিনি সাধু উপদেশ দেওয়ার নাম করে ওই প্রতিষ্ঠানের পাশ্ববর্তী এক বাড়ির সনাতনধর্মালম্বী ১ নারীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি এককান থেকে পাঁচকান হলে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসীর চাপের মুখে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে ওই মেয়েকে তিনি বিবাহ করতে বাধ্য হন।অবশ্য ওই সময় এ ঘটনায় বেশ কিছুদিন তিনি গা ঢাকা দিয়ে থাকেন।
অপর এক সূত্র জানায়, ওই লম্পট নতুনবাজারের ‘স’ অধ্যাক্ষের এক মেয়েকেই ফুসলিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক করতে বাধ্য হন।এতে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে উঠলে কেউ টেরপেয়ে উঠার পূর্বেই তাকে সূর্যের হাসি ক্লিনিকে নিয়ে দ্রুত গর্ভপাত করান। এতে মেয়েটি মা হওয়ার সক্ষমতা পর্যন্ত হারিয়ে ফেলেন। তার এহেন অনৈতিক নারীলোভী অপকর্মের একাধিক মুখোরোচক গুঞ্জন রয়েছে।
অপর এক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, তিনি পুরানবাজারের ‘ব’ এবং ‘শ’ দুই অধ্যাক্ষের দুই বিবাহিত নারীর সাথেও অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। যা নিয়ে ওই নারীদের বিবাহিত সংসার জীবনেও শুরু হয় নানা বিপত্তি। অবশ্য স্থানীয় গণ্যমান্যদের হস্তক্ষেপে সে যাত্রায় প্রাণে রক্ষা পায় ওই লম্পট।
সূত্র মতে, নানা ছল-ছাতুরী করে ধর্মান্ধমূলক বক্তব্যপ্রদানকারী ও সুঠাম দেহের অধিকারী এই লম্পট। যিনি কুমিল্লা ও চাঁদপুরের ডজনখানেক মেয়েকে তার লালসার স্বীকার বানিয়েছেন। এ নিয়ে এই ২ জেলার বিভিন্ন মহলের মানুষের মাঝেও রয়েছে নানান আপত্তিজনক মন্তব্যের গুঞ্জন। যা স্থানীয় ও জাতীয় প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের তথ্য অনুসন্ধানে চলমান রয়েছে।
পুরানবাজারের বেশ কয়েকজন সনাতনধর্মালম্বী জানায়, মন্দিরে আগত ভক্তবৃন্দের থেকে নানান অযুহাতে তিনি মন্দিরের নামে নানা উপঢৌকন বা দান দক্ষিণা সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে তা নিজের ব্যাক্তিগত স্বার্থে খরছ এবং সুযোগ পেলে পুরোটাই আত্মসাৎ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। অবশ্য তার নামে বেনামে একাধিক ব্যাংক একাউন্ট থাকারও গুঞ্জন রয়েছে।
একাধিক সূত্র এটাও জানায়, চাঁদপুরের আসার পূর্বে অবিবাহিত থাকাকালে কক্সবাজারে তিনি একাধিক নারীর সাথে রাত্রীযাপন করেছেন। আর ধার্মিক পোশাকের অন্তরালে মেয়েদের তার বশে আনতে তিনি নানান তন্ত্র মন্ত্র ব্যবহার করেন। তার এমন কর্মকান্ড জনসম্মুখে বলতে স্থানীয় সহজ সরল সচেতন সনাতনধর্মালম্বীরা মুখ খুলতে ভয় পায়। যদিও ১৩/২০২০ জানুয়ারি রোববার স্থানীয় কয়েকটি দৈনিকে তাকে নিয়ে আরো বিস্তারিত তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে ১৪ জানুয়ারি সোমবার এই ব্যপারে অভিযুক্ত ব্যাক্তির সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে তাকে না পাওয়া যাওয়ায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অবশ্য তাকে নিয়ে ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকবাহিকভাবে লেখনী অব্যাহত থাকবে।
এদিকে এই লম্পটের হাত থেকে মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষা করতে তার দ্রুত অপসারণ চান বিক্ষুব্দ সনাতনধর্মালম্বি ও এলাকাবাসী।এ ব্যপারে জেলার সনাতনধর্মালম্বী নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ চান বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। অন্যথায় পুরানবাজারের সনাতনধর্মালম্বী মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষার্থে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
Facebook Comments

Check Also

চাঁদপুরে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের উপস্থিতিতে ১৬ বছর বয়সী কিশোরীর বিয়ে!

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর শহরের পুরান বাজারে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাসুদ হোসেনের উপস্থিতিতে ডেকোরেটর মালিক …

vv