ব্রেকিং নিউজঃ
Home / বিশেষ প্রতিবেদন / চাঁদপুর নৌ থানার ৫ দিনের জাটকা সংরক্ষণ অভিযানে ১৭ জেলে আটক

চাঁদপুর নৌ থানার ৫ দিনের জাটকা সংরক্ষণ অভিযানে ১৭ জেলে আটক

অমরেশ দত্ত জয় : চাঁদপুর নৌ থানা কর্তৃক পরিচালিত চলমান জাটকা সংরক্ষণ অভিযানের মাত্র ৫ দিনে এখন পর্যন্ত ১৭ অসাধু জেলেকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। যাদেরকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গণের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে। ১৪ অক্টোবর সোমবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ তথ্য নৌথানা সূত্রে জানা যায়।
চাঁদপুর নৌ থানা সূত্র আরো জানায়, এ বছর ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের মোট ২২ দিন পদ্মা ও মেঘনা অভয়াশ্রমে সব ধরণের মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই সাথে এ সময়ে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ অথবা বিক্রয়ও নিষিদ্ধ রয়েছে। কিন্তু তবুও সরকারি এমন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে যেন প্রতিযোগিতা নিয়ে চলছে অবাধে জাটকা নিধন। তাই অসাধু জেলেদের থেকে মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষা করতে চাঁদপুর নৌ থানা পুলিশ কর্তৃক নদীতে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
চাঁদপুর নৌ থানা সূত্র আরো জানা যায়, ৯ অক্টোবর থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে চাঁদপুর নৌ থানা পুলিশ জাটকা সংরক্ষণ অভিযানের  ১৭ জন অসাধু জেলে আটক করেছে। যাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে ম্যাজিস্ট্রেটগণ সাজা ও অর্থদন্ড দিয়েছেন।এছাড়াও প্রায় ২ লক্ষ ৩ হাজার ৭’শ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য হবে প্রায় ৬১ লক্ষ ১১ হাজার টাকা। পাশাপাশি এসব জালে ৩’শ ৮৫ কেজি পরিমানের বিভিন্ন সাইজের ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য হবে ১ লক্ষ ৯২ হাজার ৫’শ টাকা। এসব জব্দকৃত ইলিশ কোল্ডস্টোর ও বিভিন্ন এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে। এর সাথে ৬টি মাছ ধরার জেলে নৌকা আমাদের থানা হেফাজতে রয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য হবে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা।
চাঁদপুর নৌ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবু তাহের খান জানান, দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় পিছিয়ে নেই চাঁদপুর নৌ থানা পুলিশ। আমরা চাঁদপুর নৌ এসপি স্যারের নির্দেশে জাটকা সংরক্ষণে প্রতিনিয়ত অভিযান করছি। এখন পর্যন্ত ১৭ জেলেকে জাল সহ আটক করতে পেরেছি। আটককৃতদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে এ সময় জালে যে পরিমাণ জাটকা ইলিশ ছিলো। সেসবও মোবাইল কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কোল্ড স্টোরেজে এবং স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করেছি এবং জব্দকৃত কারেন্ট জাল আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, নদীতে যাওয়ার জন্য আটককৃত এসব অসাধু জেলেরা যেই ইঞ্জিন চালিত নৌকা ব্যবহার করতো।তাছড়াও জাটকা সংরক্ষণে আমরা মৎস বিভাগ, জেলা প্রশাসন, নৌ বাহিনী সকলে সমন্বয় করেও কাজ করছি। দেশের ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি রক্ষা করতে নদীতে আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
Facebook Comments

Check Also

শাহরাস্তি বহুমুখী উবি জাতীয় করণের ফাঁদে ৩৯ লাখ টাকা চাঁদাবাজি

শাহরাস্তি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয় করণের নামে প্রধান শিক্ষকের ৩৯ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অনুসন্ধ্যানী একটি …

vv