ব্রেকিং নিউজঃ
Home / শীর্ষ / চাঁদপুরে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিচালক দিদারুলের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তদন্ত

চাঁদপুরে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিচালক দিদারুলের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তদন্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি : টিআইবি অভিযোগের প্রেক্ষিতে চাঁদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ কে এম দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত শুরু করেছে। মাদকদ্রব্যের কর্মকর্তা দিদারুল আলমের চাঁদাবাজি ও মাদক দিয়ে ব্যবসায়ীকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় হাজারো মানুষ গণস্বাক্ষর দিয়ে মানববন্ধন করেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় ফলাওভাবে নিউজ প্রচার হওয়ায় টিআইবি ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি অভিযোগ করেন।

শনিবার দুপুরে সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা চাঁদপুরে বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান শেষে সর্বশেষ সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের চৌরাস্তায় গিয়ে তদন্ত করেন। এ সময় চান্দ্রা চৌরাস্তার কাপড় ব্যবসায়ীকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযুক্ত দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা অভিযুক্ত দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ইউপি চেয়ারম্যান খান জাহান আলী কালু পাটোয়ারীকে সাথে নিয়ে অবশেষে সার্কিট হাউজে চলে আসেন।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজা জানান, টিআইবির অভিযোগের প্রেক্ষিতে দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ রয়েছে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অভিযুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক একেএম দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে রয়েছে ভুরিভুরি চাঁদাবাজির অভিযোগ।এই কর্মকর্তা যে মাদক ব্যবসায়ীকে এক বার ধরেছে তাকে দ্বিতীয়বার আর না ধরে কন্টাকের মাধ্যমে মাদক বিক্রির সহযোগিতা করে। প্রতিমাসে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা তোলে মাসোয়ারা নেম একেএম দিদারুল আলম।

এছাড়া তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকে মাদক মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয় ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। অনেক গৃহবধূকে আটক করে এনে মাদক সম্রাজ্ঞী সাজিয়ে মামলা দিয়ে ভাসিয়ে দেয়। আবার তার চাহিদা মত টাকা পেলে তাদেরকে ছেড়ে দেয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তদন্ত আসার পর একেএম দিদারুল আলম নিজের অপরাধ ঢাকতে সাক্ষীদের ভয়-ভীতি দেখানো শুরু করে বলে অভিযোগ করেন অনেকে।

উল্লেখ্য, চান্দ্রা বাখরপুরে গ্রামের মাদক মামলার আসামি জামাল গাজীকে ৮ মাস পূর্বে ২২০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। সেই ঘটনায় জামাল গাজী তিন মাস জেল খেটে বেরিয়ে এসে কাপড় ব্যবসায়ী মিজিকে সন্দেহ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক একেএম দিদারুল আলমের সাথে দুই লক্ষ টাকা কনট্রাক করে ইয়াবা দিয়ে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাকে ফাঁসিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় নিরপরাধ কাপড় ব্যবসায়ী জহির মিজি জেলা কারাগারে রয়েছেন।জহির মিজির মুক্তির দাবিতে হাজারো মানুষ গণস্বাক্ষর দিয়ে মানববন্ধন করেছেন।

Facebook Comments

Check Also

চাঁদপুর ট্রাফিক বিভাগের ইফতার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিনিধি : বিভিন্ন যানবাহন চালক ও অসহায় দুস্থ জনসাধারণের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছেন চাঁদপুর জেলা …

Shares
vv