ব্রেকিং নিউজঃ
Home / শীর্ষ / চাঁদপুরে ঘুর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষয়ক্ষতি নেই

চাঁদপুরে ঘুর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষয়ক্ষতি নেই

বিশেষ প্রতিনিধি : ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে তীব্র ঢেউ আচড়ে পড়েছে ঠিকই। কিন্তু এর কারণে মূল জনপদে কোনো ধরণের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ফলে এই প্রথম বড়ধরণের কোনো ঘূর্ণিঝড়ের ধকল থেকে রক্ষা পেয়েছে মেঘনাপাড়ের জনপদ চাঁদপুর।

ঘূর্ণিঝড় আম্পান পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এই জেলায় সবধরণের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। কিন্তু ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় স্বস্তি মেলেছে সবার মুখে। তবে নদীতে তীব্র ঢেউ, ছোটবড় কিছু গাছ এবং কয়েকটি কাঁচা বসতঘর ক্ষতির মুখে পড়েছে।

জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতীত অভিজ্ঞতায় দেশে যে কোনো ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসলে চাঁদপুর জেলায়ও এর প্রভাব পড়ে। কিন্তু এবারের শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আম্পানে দেশের অন্য জনপদে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হলেও চাঁদপুর এই যাত্রায় রক্ষা পেয়েছে।

এদিকে, আম্পানের কারণে জেলার মেঘনার দুর্গমচর ও নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষজনকে রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩২৫টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত ছিল। এতে লক্ষাধিক মানুষের থাকার সংকুলান করা হলেও সব মিলে মঙ্গলবার রাত থেকে ২০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে বৃহস্পতিবার সকালে এসব মানুষজন আশ্রয় কেন্দ্র ত্যাগ করে যার যার বাড়িঘরে চলে যান।

চাঁদপুর জেলা সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)র সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারেফ হোসেন মিরন বলেন, মানুষ ও সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের প্রস্তুতি ঠিক ছিল। তবে আম্ফনে কোনো ক্ষতি না হওয়ায় একটা স্বস্তি পাওয়া গেছে।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, চাঁদপুর সদর, হাইমচর ও মতলব উত্তরের আশ্রয় কেন্দ্রে ঠাঁই পাওয়া ২০ হাজার মানুষকে থাকা ও খাবার ব্যবস্থা করেছে সরকারি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা। এসব মানুষজন বৃহস্পতিবার সকালে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন বলেন জানান তিনি।

Facebook Comments

Check Also

কচুয়ায় করোনা উপসর্গে ছেলের পর বাবার মৃত্যুর ২দিন পরেই মায়ের মৃত্যু

মোঃ রাছেল, কচুয়া : চাঁদপুরের কচুয়ায় করোনা উপসর্গ নিয়ে উপজেলার গোইট উত্তর ইউনিয়নের পালগিরী গ্রামের …

vv