ব্রেকিং নিউজঃ
Home / বিশেষ প্রতিবেদন / চাঁদপুরে করোনা রোগীর চলাচল নিয়ন্ত্রণে ৮৯টি কমিটি

চাঁদপুরে করোনা রোগীর চলাচল নিয়ন্ত্রণে ৮৯টি কমিটি

বিশেষ প্রতিনিধি : চাঁদপুরে করোনার সংক্রমণ এবং মৃত্যু বাড়ছে। তাই করোনা আক্রান্ত রোগীর চলাচল নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ৮৯টি ইউনিয়নে ১১ সদস্য বিশিষ্ট ৮৯টি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এসব কমিটির প্রধান হিসেবে কাজ করবেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

জানা গেছে, যেসব এলাকায় করোনা রোগী শনাক্ত হবে সেসব এলাকার বাড়ি-ঘর লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নিত করবে এই কমিটি। করোনা রোগী সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত নজরবন্দী করে রাখা হবে।

চাঁদপুর সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘গত ১৫দিনে চাঁদপুরে এক হাজার ২৯৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে করোনায় মারা গেছেন ১১ জন। বেশিরভাগ রোগী হাসপাতালের বাইরে থাকায় চাঁদপুরে মৃত্যু ও আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। এজন্য চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের নির্দেশে করোনা মহামারি মোকাবিলায় জেলার ৮৯টি ইউনিয়নে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি করে কমিটি গঠন করা হয়। যেন কোনো করোনা রোগী রাস্তায় ঘোরাফেরা না করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জেলা সদর ছাড়া সাতটি উপজেলা কমপ্লেক্সে ১০ শয্যার করোনা ইউনিট খোলা হয়েছে।’

করোনার সংক্রমণ ও রোগী বাড়ায় ২৫০ শয্যার চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের ৬০ শয্যা করোনা ইউনিটকে ৯০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে।

হাসপাতালের করোনা ফোকাল পার্সন ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল বলেন, ‘বর্তমানে এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৬৪ রোগী ভর্তি আছেন।’

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, ‘আমরা দেখেছি নানা কারণে করোনা রোগী বাড়ছে। যা নিয়ন্ত্রণে ১৪ দিনের লকডাউন কার্যকর করতে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, সেনাবাহিনী, আর্মড পুলিশ, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যরা সার্বক্ষণিক কাজ করেছে। এরপরও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে নিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।’

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্ট উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে। ইউনিসেফের অর্থায়নে ইতোমধ্যে প্ল্যান্টের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এখন প্ল্যান্ট থেকে রোগীদের বেডে অক্সিজেন লাইন সংযোগের কাজ চলছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্ল্যান্টের খোঁজ-খবর নেন।

সিভিল সার্জন ডা.সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, ‘২৫০ শয্যা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের প্ল্যান্টটি ৫১ লাখ ৬০ হাজার মিলিলিটার লিকুইউ অক্সিজেন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন। প্ল্যান্টটি চালু হলে একসঙ্গে ১৫০ জন রোগীকে অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে করোনা মহামারিতে চাঁদপুরসহ আশপাশের জেলার রোগীরাও অক্সিজেন সেবা পাবে।’

Facebook Comments

Check Also

মৃত্যুর আগে সেলিম ফিরতে চান চাঁদপুরের আপনজনদের কাছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : ৪০ বছর আগে যখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান সেলিম মিয়া, তখন সবেমাত্র ম্যাট্রিক …

Shares
vv