ব্রেকিং নিউজঃ
Home / এক নজরে / চাঁদপুরের ডাকাতিয়ায় নানা প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠছে
প্রতীকী ছবি

চাঁদপুরের ডাকাতিয়ায় নানা প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠছে

প্রিয় চাঁদপুর : চাঁদপুর ডাকাতীয়া নদীর নানা প্রজাতির মাছ হঠাৎ করে তীবে এবং পানির ওপরে ভাসমান অবস্থায় দেখা গিয়েছে। পানির ওপরে ভেসে উঠা ও নদীর কিনারে ভেসে উঠছে। নানা প্রজাতির মাছ ধরলেন শত, শত মানুষ। তবে কি কারণে হঠাৎ ডাকাতিয়া নদীর মাছগুলো নদীর কুলে এবং পানির ওপরে ভেসে আসছে তা কেউ বলতে পারেননি।

চাঁদপুর শহরের দক্ষিণ বিষ্ণুদী এলাকা ও গুনরাজদী এলাকার জুলাস মিজি, সুমন খান, মাসুদ ঢালী, রঞ্জু বেপারীসহ ডাকাতিয়া নদী তীর বর্র্তী বসবাসরত একাধিক লোক জানান, রোববার দিবাগত রাত ১২ টার পর থেকে হঠাৎ করে ডাকাতিয়া নদীতে থাকা বড় চিংড়ি,সরপুটি,ছেউয়া , মেনি,রুই,ভাইং মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নদীর পানির ওপরে এবং তীরে জীবত অবস্থায় ভেসে উঠতে দেখে।

তারা জানান, জীবত মাছের সাথে অনেক মাছ মৃত অবস্থায় ও ভেসে উঠতে দেখে। তবে যেসব জীবত মাছ পানির ওপরে ভেসে উঠতে দেখা যায়। সে সব মাছগুলো খুবই দুর্বল মনে হয়েছে। তাই মাছগুলোকে ধরতে সহজ হয়েছে। রোববার রাতে এবং সোমবার দিনে রাতে ডাকাতিয়া নদীতে ভেসে উঠা মাছগুলো সাধারণ মানুষ, জাল,টেটা দিয়ে ধরে শত,শত মানুষ। একই সাথে নদীতে খাঁচায় চাষকৃত মাছ ও মারা গেছে বলে অনেক মাছ চাষীরা জানিয়েছেন।

কেনো হঠাৎ ডাকাতিয়া নদীতে এসব মাছগুলো ভেসে উঠছে এর কারন কেউ নির্দিষ্ট করে বলতে না পারলেও অনেকেই অভিজ্ঞতা থেকে ধারনা করে বলছেন, নদীর পানি দূষিত হওয়ার কারণে কিংবা প্রকৃতিতে বিশেষ কোনো দিন আসলে এমনটা দেখা দেয়। আবার কেউ কেউ বলছেন, প্রতি বছরের বাংলা কার্তিক মাসের কাছাকাছি সময়ে নদীতে থাকা মাছের গায়ে জ্বর হয়। আর সে জ্বর হলেই পানির নিছে থাকা মাছ, পানির ওপরে এবং ডাঙ্গায় ভেসে উঠে।

এছাড়াও যারা নদীতে ঝাঁগ পেতে মাছ শিকার করেন, তাদের অনেকের অভিযোগ অনেক সময় কিছু দৃস্কৃতকারীরা ডাকাতিয়া নদীর কুল ঘেষে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করেন। বিষ দিয়ে মাছ শিকার করে মাছ শিকার করার কারনে, তাদের পাতা ঝাঁগে তেমন কোন মাছ ধরা পড়েনি।

জেলা মৎস কর্মকর্তা বাকি বিল্লাহ জানান, আমরা এখন প্রাথমিক ভাবে বলতে পারবোনা কি কারনে মাছগুলো মারা যাচ্ছে। প্রতিবছরই এরকম অল্প কিছু সংখ্যক মাছ মারা যায়। তবে কি কারণে এবার নদীর এত সংখ্যক মাছ মারা গেছে,তার জন্য নদীর পানি,মাছ এবং মাটি পরীক্ষা করতে হবে। আমরা চাঁদপুর মৎসৎ ইনসিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের খবর দিয়েছি। তারা তা পরীক্ষা করার পর এর কারণ জানা যাবে।

সূত্র: chandpurtimes.com

Facebook Comments

Check Also

শাহরাস্তির উত্তম মাত্র ৫ লাখ টাকা হলে বেঁচে যাবেন…

নোমান হোসেন আখন্দ : মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, আর নিজের জীবন বাচাঁতে সমাজের …

vv