ব্রেকিং নিউজঃ
Home / ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর / ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে চাঁদপুরের জনজীবনে ভোগান্তি

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে চাঁদপুরের জনজীবনে ভোগান্তি

মাসুদ হোসেন : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে শুক্রবার (৮ নভেম্বর) দুপুর থেকেই চাঁদপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। এতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে খেটে খাওয়া মানুষদের। বুলের প্রভাব পড়েছে শহরের ব্যস্ত জীবনেও। প্রাণকেন্দ্র কালিবাড়ি এবং আশপাশের এলাকাগুলোতে দেখা গেছে, ফুটপাতে ফেরিওয়ালাদের কোন হাঁকডাক নেই। দোকানপাটও সব বন্ধ। শহরের বিভিন্ন স্থানে চটপটি, হালিম, ফুচকা, চায়ের টং দোকানগুলোও পলিথিন দিয়ে মোড়ানো।

ফলে রাস্তা-ঘাটে মানুষের দেখা তেমন মেলেনি। শহরের সড়কগুলো ছিল একদম ফাঁকা। বৃষ্টি সাথে ছিল ঝড়ো হাওয়া। তবে কোথাও কোন বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে ঝড়ো হাওয়ার কারনে বিভিন্ন স্থানে গাছের ডাল ভেঙ্গে পড়ে বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে করে মানুষের মোবাইল ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী নিয়ে পড়তে হয়েছে চরম বিভ্রান্তিতে।

শনি ও রবিবার সারাদিনই তা অব্যাহত ছিল। চাঁদপুরসহ সারাদেশের বেশিরভাগ এলাকায়ই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। পুরো দুইদিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। আকাশ রয়েছে মেঘে ঢাকা।

চাঁদপুরের গ্রামগুলো ছিল থমথমে। ঘর থেকে বের হতে পারেনি গ্রামাঞ্চলের মানুষ। এদিকে টানা তিন দিনের সরকারী ছুটি থাকার পরও চাঁদপুরে সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা ছুটি উপভোগ করতে পারেনি বুলবুলের কারনে। অনেকে আবার এই ছুটিতে বেড়াতে যাবার কথা থাকলেও যেতে পারেনি তাদের কাঙ্খিত জায়গায়।

চাঁদপুরের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র চাঁদপুর ত্রি নদীর মোহনা বড় স্টেশন মোলহেডে ছিল মানুষ শূণ্য। চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের অত্যন্ত সতর্কতায় ছিল এ স্থানটি। দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত ছিল প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অন্যদিকে এ দিনগুলোতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ধর্মীয় আয়োজন ওয়াজ মাহফিলের তারিখ নির্ধারন ছিল। কোন কোন মাহফিল কমিটি তাদের আয়োজন অব্যাহত রেখেছেন।

Facebook Comments

Check Also

অপরাধ দেখলেই ‘৯৯৯’ এ কল করুন : মতলব উত্তর ওসি নাসির

মনিরুল ইসলাম মনির : পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ, এই স্লোগানে মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদ …

vv