ব্রেকিং নিউজঃ
Home / ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর / গান গেয়ে আলোচিত চাঁদপুরের পুলিশ কর্মকর্তা

গান গেয়ে আলোচিত চাঁদপুরের পুলিশ কর্মকর্তা

বিনোদন রিপোর্টার : প্রয়াত মেয়েকে স্মরণ করে তিনটি গান গেয়ে আলোচিত হয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা ওয়ালী উল্লাহ অলি। তার গাওয়া তিনটি গানই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রত্যেকটি গানই কয়েক হাজারবার শেয়ার করা হয়েছে। ওয়ালী উল্লাহ অলি বর্তমানে চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জানা যায়, পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও ওয়ালী উল্লাহ অলি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কৃতিচর্চার সাথে জড়িত আছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অসংখ্যবার গান গেয়েছেন। গতবছর তাঁর কন্যা কলেজছাত্রী আনিকা মাত্র ১৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। মেয়ের অসময়ের প্রস্থানে ভেঙে পড়েন গানপ্রিয় এই পুলিশ কর্মকর্তা। মেয়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গানকেই তিনি মোক্ষম মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন।

মেয়েকে নিয়ে তার গাওয়া প্রথম গান ‘কোথায় আছো আনিকা’। গানটির কথা ও সুর করেছেন ডি এ রেইন। দ্বিতীয় গান ‘আয় আনিকা আয়রে ফিরে’ ও তৃতীয় গান ‘এই তো পড়ার টেবিল আছে খাতা বই’ লিখেছেন কবির হোসেন মিজি। সুর করেছেন যথাক্রমে এসকে আজাদ সুমন ও ডি এ রেইন। ফেসবুকে গানের ভিডিও দেয়ার পরে গানগুলো হাজার হাজার মানুষ দেখেছেন। ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে বর্তমানে গানগুলো দেশব্যাপী ছড়িয়ে গেছে।

ফেসবুকে গানগুলো দেখে অনেকে মন্তব্য করেছেন। চাঁদপুর সদর ৫নং রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল মামুন পাটওয়ারী লিখেছেন, মেয়ে হারানোর বেদনা গানগুলোতে উঠে এসেছে। গানগুলো শুনলে মন খারাপ হয়ে যায়। আরেক পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান লিখেছেন, গানগুলো শুনতে গিয়ে চোখে পানি চলে এসেছে। পুরো গান শুনতে পারিনি। মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার সাহা বলেন, ‘আমি তিনটি গানই শুনেছি। হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।’ আবার অনেকেই ওয়ালী উল্লাহ অলির প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

গীতিকার কবির হোসেন মিজি বলেন, ওয়ালী উল্লাহ অলির গাওয়া প্রথম গানটি শুনে আমি ব্যথিত হই। সন্তান হারানো পিতার শোকের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই আমি দুটি গান লিখে তাকে উপহার দিই। গান দুটি শ্রোতারা এভাবে গ্রহণ করবে ভাবিনি। গানের মাধ্যমে একজন পিতার শোক সবার মধ্যে ছড়িয়ে গেছে।

ওয়ালী উল্ল্যাহ অলি বলেন, আমার মেয়ে চলে গেছে এটা ভাবতে পারি না। আমার মেয়ের প্রস্থান আমাকে কাঁদায়। মেয়ের জন্যে ধর্মীয়ভাবে যা যা করা দরকার আমি তা-ই করেছি। পেশাগত দায়িত্বের বাইরে আমি কেবল গান গাইতে জানি। মেয়ের স্মৃতি ধরে রাখার জন্যে তাকে নিয়ে গান গেয়েছি। আমি গানের মাধ্যমে মেয়েকে স্মরণ করতে চেষ্টা করেছি। আরো দুটি গানের সুর ও মিউজিক প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি ১০টি গান নিয়ে একটি অ্যালবাম প্রকাশ করবেন বলে জানান।

ভিডিও লিংক :https://www.facebook.com/100014162382550/videos/389904091491667/

Facebook Comments

Check Also

চাঁদপুরে মা ইলিশ রক্ষায় গনসচেতনতা সৃষ্টিতে জেলে পল্লিতে মডেল থানা ওসি

বিশেষ প্রতিনিধি : চাঁদপুরে চলছে মা ইলিশ রক্ষায় ২২দিন ব্যাপী অভিযান। ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ …

vv