ব্রেকিং নিউজঃ
Home / শীর্ষ / কাল কচুয়ায় উদ্বোধন হচ্ছে মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের
কচুয়ায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

কাল কচুয়ায় উদ্বোধন হচ্ছে মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের

মো: রাছেল, কচুয়া : দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করছে সরকার। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের একটি প্রকল্পের আওতায় সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে দেশে এ প্রথমবারের মতো নির্মিত হচ্ছে এসব মসজিদ কমপ্লেক্স। এর মধ্যে ৩২টি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৫০টি মসজিদ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কচুয়া উপজেলার মসজিদটিও রয়েছে এর মধ্যে।

বৃহস্পতিবার (১০জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মসজিদের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁদপুরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ খলিলুর রহমান জানান, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে সারাদেশে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হবে। বর্তমানে ৪২০টি মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ চলছে। এর মধ্যে ৫০টি মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে কচুয়ারটাও রয়েছে। ১০ জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালের মাধ্যমে এসব মসজিদের উদ্বোধন করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র মতে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে উন্নত মসজিদ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

২০১৫ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে ওই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে ‘প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন (প্রথম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পটি ৮ হাজার ৭২২ কেটি টাকা ব্যয়ে ২০১৮ সালের ২৬ জুন সম্পূর্ণ জিওবির অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্যে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। জেলা পর্যায়ে চতুর্থতলা ও উপজেলার জন্যে তিনতলা এবং উপকূলীয় এলাকায় চার তলা মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাসহ এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সে নারী ও পুরুষের পৃথক ওজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি গবেষণা ও দ্বীনি দাওয়াত কার্যক্রম, পবিত্র কোরআন হেফজ বিভাগ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজ্বযাত্রীদের নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ ও ইমামদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদি ব্যবস্থা রয়েছে। ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যে অফিসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

চাঁদপুর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উদ্বোধনের জন্যে বিভিন্ন জেলার ৫০টি মসজিদ প্রস্তুত করা হয়েছে। সে তালিকায় চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মডেল মসজিদ রয়েছে। এ মসজিদ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ১৩ কোটি টাকা। এসব মসজিদে ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি জ্ঞানার্জন ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে।

Facebook Comments

Check Also

আওয়ামী লীগই যেকোনো দুর্যোগ সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে : রুহুল এমপি

মনিরুল ইসলাম মনির : এডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল বলেছেন, আওয়ামী লীগ শুধু ক্ষমতায় থেকে মানুষের …

Shares
vv