ব্রেকিং নিউজঃ
Home / মতামত / করোনায় বাঁচতে সচেতন হই

করোনায় বাঁচতে সচেতন হই

: শাহ এনামুল হক কমল :

স্টুপিড জেনারেশনের একজন আমি,,,,,,,,
কেমন শিক্ষায় শিক্ষিত আমরা?কি আমাদের পারিবারিক,সামাজিক,রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা?জ্ঞানের পরিধি ই বা কত দূর?

আমরা কি জানি সচেতনতা কাকে বলে?
সাহায্য কি ভাবে করতে হয়,কখন করতে হয়?
মোট জন গোষ্ঠীর একটা নগন্য অংশ যা করোনার মতোই কোন যন্ত্র দিয়ে দেখা যাবেনা।

অনেকটা ১০০টি পঁচা আমের মধ্যে একটি ভালো আম যেমন হিসেবে ধরা যায়না,,,,তেমন।
কেন বলছি কথা গুলি??

একটা নিশ্চিত প্রাণ ঘাতি ভাইরাস করোনা।
প্রতিনিয়ত মিডিয়াতে প্রচার হচ্ছে লাশের সারি।
সংক্রমিত হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ। প্রতিরোধের কোন ঔষধ নেই।
শুধু মাত্র বাসায় অবস্থানই হতে পারে বাঁচার উপায়।
এই কথা গুলি বোঝাতে এর সাথে সংশ্লিষ্ট ডাক্তার,সরকারী কর্মকর্তা,সেনাবাহিনী পুলিশবাহিনী ,সাংবাদিক, ব্যাংকার রাতদিন কাজ করার পর ও কে শুনছে কার কথা। রাস্তায় দেখুন কারা,,, এই জেনারেশন।

ত্রাণের নামে রাস্তায় কারা -এই জেনারেশন।(কিছু সংখ্যক ব্যতিক্রম আছে তাও করোনার মত দেখা যায়না)এক দল আছে চাঁদা উঠিয়ে নিজেদের আত্মীয় স্বজনদের পাশে দাঁড়াচ্ছে।

আবার কেউ কেউ বস্তায় বস্তায় সরকারী ত্রাণ নিজের জন্য গ্রহণ করে (চুরি)রাতারাতি ভাগ্যের পরিবর্তন করছেন।

সংঘবদ্ধ হয়ে ত্রাণের নামে সংক্রমিত করে যাচ্ছে সমাজ তথা গোটা দেশকে।কেন এই মূর্খতা? আপনি চাল ডাল দিয়ে কয়জনকে বাঁচাতে পারবেন?কিন্তু করোনা সবাইকে মারতে পারে।অভুক্ত কিংবা কম খেয়ে মানুষ মরেনা। করোনায় মানুষ মরে।
গত বিশ বছরে পৃথিবীতে কয়জন মানুষকে না খেয়ে মরতে শুনেছেন?কিন্তু গেল এক মাসে করোনায় ১ লাখ লোক (প্রায়) মৃত্যু বরণ করেছে।
খেতে না পেয়ে কয়জন অসুস্থ হতে শুনেছেন?করোনায় অনেকেই সংক্রমিত, যা আপনারা ঘটিয়েছেন।
বিদেশ থেকে এসে ঘরে ডুকে গেছে,ভয়ে পালিয়েছে (যদিও এ সময়টা আসা উচিৎ হয়নি)তাতেই দোষ হয়েছে তারা নিয়ে এসেছে। আপনারা কি করছেন?ছড়াচ্ছেন।
সস্তায় বাহবা নিতে চান? এতো সহজ?
শুরু হতে দিন নিউইয়র্ক, কানাডার মতো। বাহবা?খেতাব পাবেন জাতীয় বেঈমান হিসেবে।
যোদ্ধা সাজেন?৭১ সালে এই জেনারেশন থাকলে দেশ স্বাধীন হওয়া তো দূরের কথা, ঘরে ঘরে রাজাকার জন্ম নিতো।
কেউ কেউ আবার বেহেস্তের টিকিট ও পেতে যাচ্ছে। মসজিদে জামাত বন্ধ তাই ছাদে জামাতের আয়োজন করে।

সাহায্য করতে চাইলে,,,, **আপনার প্রতিবেশীকে ফোন নাম্বার দিন।প্রয়োজনে ফোন করতে বলুন।প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ করে দিন একা একা নিজের সুরক্ষা বজায় রেখে।
****আপনার পাড়ায়,মহল্লায়,গ্রামে সর্বোচ্চ ৫ সদস্যের কমিটি করুন।ফোনের মাধ্যমে দূরুত্ব বজায় রেখে সাহায্য করুন।
সঠিক সময়ে গরীব প্রতিবেশীর মুখে খাদ্য সহায়তা দিতে তৈরি থাকুন  ।
এখনো গড়ে সেই সময় আসেনি।কিছু কিছু সমস্যা দেখা দিতে শুরু করেছে।

সেনা বাহিনী নামানোর উদ্দেশ্য অথবা দাবীটা ছিলো এই বাহিনীকে সবাই ভয় পায়।এই সময় সেনা মাঠে থাকলে সবাই ভয়ে ঘরে ফিরবে।

আমরা করোনাকে না পারলে ও সেনার ভয়কে জয় করেছি।আর কখনো প্রয়োজন হলে গুরুত্ব থাকবে বলে মনে হয়না।

ডাক্তার, পুলিশ, সেনা,সাংবাদিক, ব্যাংকার আপনাদের সকল চেষ্টা জেনারেশনের শিকলে বন্ধি।এবার তো লাঠি হাতে নিন।

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ১৮ কোটি মানুষকে বাঁচাতে স্বৈরাচার,কঠোর আর বর্বর হওয়ার সময় এসেছে।কারো কথা  না শুনে স্বেচ্ছায় সিদ্ধান্ত নিন।

নির্দেশ দিন যে কোন মূল্যে মানুষ গুলিকে ঘরে ফেরাতে হবে।
কাউকে ব্যথিত করতে নয় বরং আমি আমার দায়ীত্বের জায়গা থেকে কথা গুলি তুলে ধরেছি।

আবারও বলছি আসুন আমরা সবাই যার যার জায়গা থেকে সচেতন হই,  মহামারী করোনা থেকে বাঁচতে ঘরে থাকি,  নিরাপদে থাকি। মহান আল্লাহ আমাদের রহমত দান করুন – আমিন

Facebook Comments

Check Also

করোনাকালের মানবিক সংকটে একজন  ড. সালেহা কাদের 

আলিশা আরিয়ান : বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস এখন মানুষের অভিন্ন শত্রু। এই ভাইরাস গত পাঁচ মাসে বিশ্ববাসী …

vv