ব্রেকিং নিউজঃ
Home / টকশো / কচুয়া পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য কাউন্সিল’র প্রার্থী হচ্ছেন জামাল হোসেন প্রধান
জামাল হোসেন প্রধানের ফাইল ফটো।

কচুয়া পৌরসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য কাউন্সিল’র প্রার্থী হচ্ছেন জামাল হোসেন প্রধান

মোঃ রাছেল, কচুয়া : আসন্ন পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে কচুয়া পৌরসভার ৪নং ওর্য়াডের কাউন্সিল’র প্রার্থী হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমানে পৌর যুবলীগ নেতা মো. জামাল হোসাইন প্রধানকে পৌর এলাকার জনসাধারণ পেতে চায়।

সময় যতই ঘনিয়ে আসছে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দৌড়ঝাপ ততই শুরু করেছে। পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে কচুয়া পৌরসভার ৪নং ওর্য়াডের জনসাধারণ এবার সৎ সাহসী ও মেধাবী নেতা মো. জামাল হোসাইন প্রধানকে কাউন্সিলর হিসেবে দেখতে চায়।

জামাল হোসাইন বলেন, আমি প্রার্থী হয়েছি জনগনের আমাকে কাউন্সিল’র পদে দেখতে চাই বলে। আমি একজন ব্যবসায়ী তার সাথে আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আর্দশ সংগঠন আওয়ামীলীগের পরিবারের সন্তান, র্দীঘ দিন ধরে আমি ৪নং ওর্য়াড যুবলীগ সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। আমি সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ ও কচুয়া উপজেলার সফল ভাইস চেয়ারম্যান ও আমার রাজনীতির অভিভাবক মো.মাহবুব আলমের হাত ধরে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর হিসেবে মানুষের সেবা করতে চাই।

পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সাধারন জনগণ বলেন, এলাকার উন্নয়ন ও অসহায় মানুষদের পাশে দাড়াতে এবং দেশের কল্যানে পৌরসভার নির্বাচনে এই তরুন সৎ ও বিচণ নেতা হিসেবে মোঃ জামাল হোসেন প্রধানকে এলাকার জনগণ গ্রহণ করতে চায়।

নির্বাচন বিষয়ে এলাকার জনসাধারণ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচন আসলে বিভিন্ন দলের নেতারা সাধারন ভোটারদের ধারে ধারে ঘুরে ভোট চায়। কিন্তু নির্বাচন করে বিজয়ে পর তাদের আর খুজে পাওয়া যায় না। কিন্তু এলাকার জনপ্রিয় এই তরুন ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা জামাল হোসাইন অন্যদের তুলনায় ব্যতিক্রম। তিনি দিন এবং রাতের বেশীর ভাগ সময়ই সাধারণ মানুষের কল্যানে বিভিন্ন মানব উন্নয়ন সংস্থা, মাদক, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন রোধ এমনকি বাল্য বিয়ে রোধেও তিনি যতেষ্ট উদ্যোগী হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।

এলাকায় এসব কর্মকান্ড নিয়ে জানতে চাইলে জামাল হোসেন প্রধান বলেন, সাধারণ মানুষের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। এ মানবতাবোধ ও মহৎ প্রবণতাগুলো যাদের মধ্যে বিদ্যমান, তারা সমাজ তথা রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে উজ্জ্বল ও প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন। চলমান জীবনে আমরা বিভিন্নভাবে সমাজের উপকার করতে পারি। এ উপকার সহানুভূতি, সেবা দান, কায়িক শ্রম, আর্থিক সাহায্য, সৎ পরামর্শ কিংবা বাস্তব কর্ম দিয়েও করতে পারি।

তিনি আরো বলেন, আমার বাবা মোঃ শফিউল্লাহ্ এলাকার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত। তিনি কচুয়া গুলবাহার হিমালয়ে বেসরকারি চাকুরি করেন। আমার বড় ভাই মোঃ কামাল হোসেন এলাকার মানুষের পাশে থেকে প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষদের পাশে থেকে তাদের আর্থিক অনুদান সহ বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমি এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবা করে যাচ্ছি। এলাকার মানুষ আমাকে সমর্থন দিলে আমি আগামীতে ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিল পদপ্রার্থী।

উল্লেখ, যুবলীগ নেতা জামাল হোসেন দেশে করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার পর থেকেই মানুষের পাশে থেকে কাজ করেন।

সমাজের মানুষদের জনসচেতনার পাশাপাশি কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী নিজের হাতে পৌছিঁয়ে দেন। যেসব কাজের মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি মানুষের মনের মধ্যে স্থান করে নিয়েছেন মোঃ জামাল হোসেন প্রধান। তিনি এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও গরিব অসহায় ছাত্র-ছাত্রীদের কাগজ কলমসহ শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগের জন্য এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।

Facebook Comments

Check Also

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে নান্টুর শুভেচ্ছা

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন বিল পাশ হওয়ায় জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ …

vv