ব্রেকিং নিউজঃ
Home / সমস্যা-সম্ভাবনা / কচুয়া ডুুমুরিয়া ও দরিয়া হয়াতপুর গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা : জনদুর্ভোগ
উত্তর ডুমুরিয়া ডাক্তার বাড়ির সামনের বড় গর্ত ও দুইপাশ ধসে গিয়ে নাজুক রূপ ধারণ করেছে।

কচুয়া ডুুমুরিয়া ও দরিয়া হয়াতপুর গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা : জনদুর্ভোগ

মোঃ রাছেল, কচুয়া : চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ডুমুরিয়া-দরিয়া হয়াতপুর রাস্তাটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ। কড়ইয়া ইউনিয়নের দরিয়া হয়াতপুর ও ডুমুরিয়া গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য ১ কি. মি. দৈর্ঘের এরাস্তাটিই হচ্ছে একমাত্র অবলম্বন।

দীর্ঘ দিন যাবৎ এ কাঁচা রাস্তাটি মেরামত না করায় এখন স্থানে স্থানে বড় গর্ত ও দুইপাশ ধসে গিয়ে নাজুক রূপ ধারণ করেছে।সম্পন্ন দূর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। প্রকৃত পক্ষে চরম ভগ্নদশার এরাস্তা পায়ে হেটে চলাচলের জন্য ও অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে, চলাচলের দিক থেকে ওই দুই গ্রামের লোকজনরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

ডুমুরিয়া গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম জানান, দেশ যখন উন্নয়নের মহাসড়েকে চলছে, তখন উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ডুুমুরিয়া ও দরিয়া হয়াতপুর এই ২ গ্রামের মানুষের জেন ভোগান্তির শেষ নেই। যেন মনে হচ্ছে এই এলাকার গ্রামবাসীরা অন্য দেশে বসবাস করে। উন্নয়নের মহাসড়ক থেকে যেন এলাকাবাসী ছিটকে পড়ছে।

দরিয়া হয়াতপুর গ্রামের মো. সোহেল রানা জানান, রাস্তার বড় বড় গর্তগুলো এখন এক একটি বিষপোঁড়া। একটু বৃষ্টি হলেই জমে যায় পানি, হয়ে যায় কর্দমাক্ত ফসলের মাঠের মত। এলাকাবাসীর এই রাস্তা ধরেই যাতায়াত করতে হয় উপজেলা সদরে।
বর্তমানে এই রাস্তাটি দিয়ে (রিক্সা, সিএনজি, ইজিবাইক) চলাচলের জন্য সম্পুর্ণভাবে অনুপযোগী। বৃষ্টি হলে কাঁদায় সাধারণ মানুষ পায়ে হেঁটেও এই রাস্তা ব্যবহার করতে পারছেনা। উপজেলার মধ্যে কড়ইয়া ইউনিয়নের ডুুমুরিয়া ও দরিয়া হয়াতপুর গ্রামটি অবহেলিত। ভোটের সময় ভোট আর পরে তেমন খবর নেওয়ার সময় পায়না জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ এলাকাবাসির।

কচুয়া বঙ্গবন্ধু সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র মোঃ রাছেল বলেন, র্দীঘদিন থেকে দেখে আসছি রাস্তাটি শুধু মাপযোগ হচ্ছে কিন্তু রাস্তা করার কোন খবর নাই। রাস্তাটি পাঁকা হওয়া খুব জরুরি। কারণ জনপ্রতিনিধিদের বলে বলে হয়রান হয়েগেছি আর বলতে পারছি না। দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে আশা করি এই রাস্তাটি পাঁকা করার বিষয়ে সংশিষ্টরা দ্রুতসীদ্ধান্ত নিবেন।

ডুুমুরিয়া গাউছিয়া আলিম ছাত্র মো. ইকবাল, মো. শামীম, মো. রবিউল জানায়, বৃষ্টি হলে ওই রাস্তা দিয়ে ৪-৫ হাতও যাওয়া যায় না। তার পরেও রাস্তা বাদ দিয়ে অন্যের বাড়ি দিয়ে মাদ্রাসায় যেতে হয়। অনেক সময় অন্যের গালাগালিও খেতে হয়।
দরিয়া হয়াতপুর গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক মো. সেলিম বলেন, দেশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। কচুয়ায়ও অনেক এলাকার রাস্তা পাকা হয়েছে যে গুলো রাস্তায় মানুষ চলাচল করে না। অথচ দুটি গ্রামের রাস্তাটি জনবহুল হওয়া সত্তেও পাঁকা হচ্ছে না। আমরা চাই রাস্তাটি দ্রুত পাকা হোক সাধারন মানুষের দূভোগ কমুক।

মো. কাউছার আলম বলেন, আমাদের এলাকায় ডজনে ডজনে নেতা থাকার পরও কোন নেতা রাস্তাটির সমস্যা সঠিক জায়গাতে না যাওয়ায় পাঁকা হচ্ছে না। ফলে এলাবাসির দূর্ভোগের যেন শেষ নেই। সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তাটি চলাচলে অনুপযোগি হওয়ায় বিশেষ করে মাদ্রাসা, বিদ্যালয়, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পড়েন বিপাকে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং এমপি মহোদয়ের নিকট ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর আকুল আবেদন অতি শীঘ্রই এই রাস্তাটির বাজেট প্রনয়ণ করে রাস্তাপাঁকা করনের জোর দাবি জানাচ্ছি।

Facebook Comments

Check Also

চাঁদপুরের দূর্গাদীতে সম্পত্তি হারানোর আশঙ্কা! আদালতে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার : চাঁদপুর সদরের ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দূর্গাদী গ্রামে প্রায় পৌনে ৪ …

vv