ব্রেকিং নিউজঃ
Home / স্বাস্থ্য / কচুয়া আশ্রাফপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তার শূন্য, স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত জনগন
কচুয়ার আশ্রাফপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের একাংশ। ইনসেটে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এম.সিএইচ.এফপি ডা: সুবর্না রায়ের ফটো সেশনের একাংশ।

কচুয়া আশ্রাফপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তার শূন্য, স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত জনগন

মেহেদী হাসান সাকিব, কচুয়া : কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে দীর্ঘ অনেক বছর যাবত ডাক্তার শূন্য রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় থেকে ডাক্তার পোস্টিং দেওয়া হলেও যোগদানকৃত ডাক্তারকে ওই কেন্দ্রের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মচারীগন বসতে না দেওয়া তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বাস্থ্য সেবা দিতে পারছেননা।

১২ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে আশ্রাফপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সাংবাদিকগন সরেজমিনে গিয়ে কোন ডাক্তার না পাওয়ায় ওই কেন্দ্রে কর্মরত পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা মাসুদা বেগমের কাছে ডাক্তারের বিষয়টি জানতে চাইলে সে জানান ওই কেন্দ্রে কোন ডাক্তার নাই। একজন ডাক্তার মাত্র একদিন এসেছিল ।

বেলা সাড়ে ১১টায় কচুয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে কর্মরত এম.সি. এইচ. এফপি ডা: সুবর্না রায় ওই কেন্দ্র উপস্থিত হলে তাকে স্বাস্থ্য বিভাগের ডাক্তার কোথায় বসে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং বলেন আশ্রাফপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের। এ সময় ডা: সুবর্না পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মচারীদের নিয়ে ফটো সেশনে যোগ দেন।

দুইমাস পূর্বে স্বস্থ্য মন্ত্রনারয় থেকে ডাক্তার পোস্টিং হলেও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অসহযোগীতার কারনে সংশ্লিষ্ট ডাক্তার কর্মস্থলে গিয়ে সাধারন জনগনকে স্বাস্থ্য সেবা দিতে পারছেনা।

এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: সোহেল রানা জানান কচুয়ায় ডাক্তার সংকট ছিল,মাননীয় এমপি ড.মহীউদ্দিীন খান আলমগীর স্যারের সুপারিশে ১২ ডিসেম্বর একদিনে কচুয়ায় ১৬ জন ডাক্তার যোগদান করেছে।আশ্রাফপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে একজন ডাক্তার পোস্টিং দিলেও ওই কেন্দ্রের পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা মাসুদা বেগমসহ অন্যদের অসহযোগীতা এবং যোগদানকৃত ডা: রেফায়েতউর রহমানকে বসার জায়গা না দেওয়ায় তিনি ওই কেন্দ্রে স্বাস্থ্য সেবা দিতে পারছেননা। উপর্যপুরি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মাহমুদ যোগযোগ করলে আশ্রাফপুর কেন্দ্রের পরিবার কল্যান পরিদর্শিকা মাসুদা বেগম ওনার সাথে খারাপ আচরণ করেছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ- পরিচালক ডা: মো: ইলিয়াছের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন দীর্ঘদিন ডাক্তার না থাকায় আমাদে লোকজন কক্ষগুলি ব্যবহার করেছে । প্রথম দিন এসেই কক্ষ চাইলেইতো আর দেওয়া যাবেনা। স্বাস্থ্য বিভাগের কোন ডাক্তার বসতে চাইলে তাকে বসার জায়গা করে দেওয়া হবে। ডা: সুবর্নার সমস্যার বিষয়ে আমি অবগত আছি। ডা: সুবর্না অসুস্থ্য,সাইকেটিক সমস্য রয়েছে, তিনি ওসুধ খান।

স্থানীয়রা জানান দীর্ঘ অনেক বছর যাবত আশ্রাফপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোন ডাক্তার না থাকায় ওই এলাকার জনগন স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত। জনমনে প্রশ্ন জায়গাটি কি স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের না পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ?

Facebook Comments

Check Also

শাহরাস্তিতে জলাতঙ্ক নির্মূলে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

নোমান হোসেন আখন্দ : ২০২২ সালের মধ্যে দেশ থেকে জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষ্যে চাঁদপুর জেলায় ব্যাপক …

vv