ব্রেকিং নিউজঃ
Home / সমস্যা-সম্ভাবনা / কচুয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল গ্রামবাসীর
কচুয়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের হোসেনপুর তালুকদার বাড়ির সংলগ্ন খালের উপর নড়বড়ে সাঁকো পার হচ্ছেন এক পথচারী। এলাকার কয়েক ব্যাক্তি একত্রিত হয়ে সাঁকো পুন: নির্মাণ নিয়ে কথা বলছেন।

কচুয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল গ্রামবাসীর

মো: রাছেল, কচুয়া : কচুয়া উপজেলার দক্ষিণ কচুয়া ইউনিয়নের হোসেনপুর তালুকদার বাড়ির সংলগ্ন খালের দু’পাশে প্রায় সহস্র লোকের বাস। তাদের চলাচলের একমাত্র ভরসা বাশেঁর সাঁকোটি ভেঙ্গে যাওয়ায় জনজীবনে দারুন দুর্ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার বাসিন্দারা বহুদিন ধরে সরকারি খরচে একটি ব্রিজ নির্মাণের জন্য জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। কিন্তু ব্রিজের কোন ব্যবস্থা হয়নি। কয়েক বছর পর পর নিজ খরচে এ সাঁকোটি নির্মাণ করতে হয় হোসেনপুর গ্রামবাসীর। বর্তমানে সাঁকোটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন এলাকার মানুষের দুভোর্গ বেড়ে গেছে।

স্থানীয় লোকজনারা জানান, প্রায় দীর্ঘ ৩ যুগ ধরে এলাকাবাসীর চাঁদায় নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে ওই খাল পারাপার হয় স্কুল, কলেজ, মাদরাসা শির্ক্ষীরা সহ স্থানীয় অধিবাসীরা। এছাড়া ফসলি জমির আটি বাঁধা ধান নিয়ে কৃষকরা এ সাঁকো পার হয় দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। সাঁকোটির পশ্চিম পাশে রয়েছে হাফেজিয়া মাদ্রাসা, এতিমখানা ও মসজিদ। ছোট ছোট কোমলমতি শিশুরা এ নড়বড়ে সাঁকো পারাপারে প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এছাড়া মুমূর্য রোগীদের হাসপাতাল কিংবা ডাক্তারের নিকট আনা নেওয়া দারুন বিপাকে পড়তে হয়।

হোসেনপুর গ্রামের ৭০ বছরের বৃদ্ধ শফিকুল ইসলাম তালুকদার ও সানা উল্লাহ তালুকদার জানান, দীর্ঘ ৩যুগ ধরে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে এ বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করে চলাচল করে আসছে। তাদের ভোগান্তি কেউই দেখতে আসেন না। তারা আক্ষেপ করে বলেন, তাদের এই ভোগান্তি কবে শেষ হবে।

একই গ্রামের মিজানুর রহমান জানান, এই বাঁশের সাঁকোটি গ্রামের লোকজন কষ্ট করে নির্মাণ করে থাকেন। কিন্তু বর্ষার মৌসুম আসলে পানিতে ভেসে যায় তাদের একমাত্র চলাচলের মাধ্যম বাঁশের সাঁকোটি। এতে চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় তাদের। তাই চলাচলের সুবিধার্থে সরকারিভাবে একটি ব্রীজ নির্মাণ করার জন আকুল আবেদন করেন তিনি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো.শরিফুল ইসলাম মানিক জানান, দীর্ঘ অনেক বছর যাবৎ এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে এই বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করে লোকজন চলাচল করছেন। এখন সাকোঁটি ভাংচুর হয়ে পড়ায় জনদুর্ভোগ চরম হয়ে উঠেছে। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আবারো সাকোঁটি পুন: নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ স্থানে সরকারি অর্থায়নে ব্রিজ নির্মাণ অত্যাবশ্যক।

এ ব্যপারে কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিডি) জাকির হোসেন জানান, গ্রামবাসীর উপকারের স্বার্থে ঐ জায়গায় ব্রিজ নির্মানের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।

Facebook Comments

Check Also

চাঁদপুরে শুক্রবার নতুন করে ১০ জনের করোনা পজেটিভ

মাসুদ হোসেন : চাঁদপুরে নতুন করে ১০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। সনাক্তের হার ৮.৭০%। শুক্রবার …

Shares
vv