ব্রেকিং নিউজঃ
Home / বিশেষ প্রতিবেদন / কচুয়াতে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট, স্বাস্থ্যবিধি মানছে না ক্রেতা-বিক্রেতা
কচুয়া উপজেলায় জমতে শুরু করেছেন কোরবানির পশুর হাট।

কচুয়াতে জমে উঠছে কোরবানির পশুর হাট, স্বাস্থ্যবিধি মানছে না ক্রেতা-বিক্রেতা

মো: রাছেল, কচুয়া : মুসলাম ধর্মালম্বীদের র্সববৃহৎ উৎসব পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই ক্রেতা-বিক্রিতার মাঝে।

শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে জমেছে কোরবানির পশুর হাট যেমন: ডুমুরিয়া বাজার, রহিমানগর বাজার, গুলবাহার বাজার, নিশ্চিন্তপুর বাজার, সাচার বাজার যথেষ্ট ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে উদাসীন বাজারে আসা লোকজন। বাজার কর্তৃপক্ষ বিনামূল্যে মাস্ক দিলেও অনেকই তা ব্যবহারে অনিহা প্রকাশ করছে। কেউ কেউ মাস্ক পকেটে, কেউবা মাস্ক হাতে নিয়ে বাজারে ঘুরাঘুরি করতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডুমুরিয়া বাজারের হাটে বিভিন্ন প্রজাতির ২০০ থেকে ২৫০ গরু উঠেছে। এর মধ্যে প্রথম দিনে ৬০ টি গরু বিক্রি হয়েছে বলে ইজারাদারগণ জানিয়েছেন। তবে দাম নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সন্তুষ্টি দেখা যায়। হাটে মহিষের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। বেশ কিছুক্ষণ বাজারে দৃশ্য দেখে কোন আইন শৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার স্বাস্থ্যবিধির কথা বলা হলেও ইজারাদার, ক্রেতা, বিক্রেতা কারোই এটিকে আমলে নিতে দেখা যায়নি। উপস্থিত শতশত লোকের মুখে ছিলোনা মাস্ক। কচুয়াতে বর্তমানে করোনার উদ্দগতি , এভাবে চলতে থাকলে করোনা আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে বলে অনেকেই মনে করছেন।

গরু কিনতে আসা হারুন মিয়া বলেন, বাজারে গরুর দাম সন্তোষজনকখুব বেশিও না আবার কমও না। আমি ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকায় একটি গরু কিনেছি।

গরু বিক্রেতা মনির ও মমিন মিয়া বলেন, আমরা ১৩ টি গরু ষাড় নিয়ে এসেছিলাম, এর মধ্য ৫ বিক্রি হয়ে গেছেআশা করছি, আগামী দু’দিনের মধ্য বাকী ষাড়গুলো বিক্রি হয়ে যাবে। দাম কিছুটা কম মনে হচ্ছে।

ডুমুরিয়া বাজারের পশুর হাটের ইজারাদার আলমগীর হোসেন বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাজার পরিচালনার চেষ্টা করছি, বাজারে গরুর আমদানি ভাল। যতই ঈদের দিন ঘনিয়ে আসবে, ক্রেতারা সংখ্যা ততই বাড়বে বলে আশা করছেন বাজার কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য যে, কচুয়ায় এ বছর ৪২টি অস্থায়ী কোরবানীর পশুরহাট বসেছে। অস্থায়ী হাটগুলো দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়। তবে হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে শতভাগ। উল্লেখ্য যোগ্য হাট গুলো হলো- সাচার বাজার, বিতারা বাজার , পালাখাল বাজার , আলিয়ারা বাজার, উজানী বাজার, তুলপাই বাজার, চৌহুমনী বাজার, ডুমুরিয়া বাজার, মিয়ার বাজার, জগতপুর বাজার ও কচুয়া বাজার।

Facebook Comments

Check Also

মৃত্যুর আগে সেলিম ফিরতে চান চাঁদপুরের আপনজনদের কাছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : ৪০ বছর আগে যখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান সেলিম মিয়া, তখন সবেমাত্র ম্যাট্রিক …

Shares
vv