ব্রেকিং নিউজঃ
Home / ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর / এক নজরে জেনে নিন চাঁদপুর সদর উপজেলার সকল তথ্য ও মোবাইল নম্বর

এক নজরে জেনে নিন চাঁদপুর সদর উপজেলার সকল তথ্য ও মোবাইল নম্বর

মাসুদ হোসেন : ১৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪ সালে সৃষ্টি হওয়া চাঁদপুর সদর উপজেলা ও সদর থানা পহেলা মার্চ ১৮৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত উপজেলায় ২০১৪ সালের তথ্য অনুযায়ী ১৪টি ইউনিয়নে ৪ লক্ষ ৩৬ হাজার ৬৮২ জন জনসংখ্যা রয়েছে।
এ উপজেলার জনপ্রতিনিধির দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম দেওয়ান (মোবাঃ 01712202126)। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আইয়ুব আলী (মোবাঃ 01715040140) ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আবিদা সুলতানা রিদোয়ন (মোবাঃ 01772221222) আর উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা শাহনাজ (মোবাঃ 01730067060)। তিনি গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর এ কর্মস্থলে যোগদান করেন।
এছাড়াও অন্যান্য দাপ্তরিক দায়িত্বে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাজেদা বেগম পলিন (মোবাঃ 01988421164), পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এম এ গফুর মিঞা (মোবাঃ 01711006602), চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবদুর রশিদ (মোবাঃ 01320-115981), উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের সহকারী পোগ্রামার মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ (মোবাঃ 01719552993), জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ সহ: প্রকৌশলী মোঃ জাহিদুল ইসলাম (মোবাঃ 01684034077), এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী এ.এস.এম রাশেদুর রহমান (মোবাঃ 01708161308), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিল আতিয়া পারভীন, উপজেলা মৎস কার্যালয়ের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্য (মোবাঃ 01729-695252), উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মোঃ খোরশেদ আলম (মোবাঃ 01711395120), উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মোঃ মুকবুল হোসেন (মোবাঃ 01767441614), উপজেলা বন অফিসের বন কর্মকর্তা মোঃ বিল্লাল হোসেন কাজী (মোবাঃ 01865062125), উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইমরান হোসাইন সজিব (মোবাঃ 01730067061), উপজেলা সাব রেজিস্টার অফিসের সাব রেজিস্টার কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন (মোবাঃ 01819666094), উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন (01796392348), উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন (মোবাঃ 01708414761), উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কার্যালয়ের পোগ্রাম অফিসার কবিতা ইসলাম (মোবাঃ 01624367523), উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মনির হোসেন (মোবাঃ 01949504190), উপজেলা বিআরডিবি অফিসের সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আবদুর গনি (মোবাঃ 01991133949), আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প অফিসের উপজেলা সমন্বয়কারী ও শাখা ব্যবস্থাপক ফারহানা আক্তার (মোবাঃ 01938879487), উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাজমা বেগম (মোবাঃ 01727239244), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ কামাল হোসেন (মোবাঃ 01711020374), উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সপেক্টর মোঃ ছাদেক হোসেন (মোবাঃ 01712283226), উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শাহ জহুরুল হোসেন (মোবাঃ 01685225351), উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম (মোবাঃ 01700716925), উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেন (মোবাঃ 01550041997), উপজেলা তথ্যসেবা কর্মকর্তা ফাতেমা আক্তার (মোবাঃ 01313704179)। এছাড়াও চাঁদপুর পৌরসভার মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন এ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান জুয়েল।
৩০৮.৭৮ বর্গ কিলোমিটারের এ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে- ১নং বিষ্ণুপুর, ২নং আশিকাটি, ৩নং কল্যাণপুর, ৪নং শাহমাহমুদপুর, ৫নং রামপুর, ৬নং মৈশাদী, ৭নং তরপুরচন্ডী, ৮নং বাগাদী, ৯নং বালিয়া, ১০নং লক্ষ্মীপুর, ১১নং ইব্রাহিমপুর, ১২নং চান্দ্রা, ১৩নং হানারচর এবং ১৪নং রাজরাজেশ্বর। এ উপজেলায় ১১২টি গ্রাম, ১৪৬ টি মৌজা, ৬টি সরকারী এতিমখানা, ২৩টি বে সরকারী এতিমখানা, ৪৩৩ টি মসজিদ, ৯টি মন্দির, ৩টি নদী (পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া), হাট বাজার ২৭টি, পোস্ট অফিস/ সাব পোস্ট অফিস ২৮টি, তফসিল ব্যাংক ১৯টি, শিক্ষার হার ৫৬.৭৮%, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৩৫ টি, বেসরকারী রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় ৪০টি, সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ৩টি, বেসরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ৪৪টি, বেসরকারী মাদ্রাসা ২৫টি, এবতেদায়ী মাদ্রাসা ২১টি, সরকারী কলেজ ২টি, বেসরকারী কলেজ ৫টি, কিন্ডারগার্টেন ১৭টি, অতিরিক্ত  পুলিশ সুপারের কার্যালয় ১টি, থানা ১টি, প্রেসক্লাব ১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১টি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১৪টি, মাতৃসনদ ২টি, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ১টি, কমিউনিটি ক্লিনিক ৪৫টি, রেল স্টেশন ৫টি, এনজিও ২০টি। নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুর-৩ (ডা. দীপু মনি এমপি)।
চাঁদপুর সদর উপজেলার প্রখ্যাত ব্যক্তিরা হচ্ছেন-
১। ডা. দীপু মনি, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক সফল পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
২। আব্দুল করিম পাটওয়ারী, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক
৩। এম এ ওয়াদুদ, ভাষা সৈনিক
৪। বদিউল আলম, বীর উত্তম।
৫। মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, বীর উত্তম।
৬। সিরাজুল মওলা, বীর উত্তম।
৭। সালাহউদ্দিন আহমেদ, বীর উত্তম।
৮। দেলোয়ার হোসেন (বীর প্রতীক)।
৯। মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ, বীর প্রতীক।
১০। আবদুল হাকিম (মুক্তিযোদ্ধা), বীর প্রতীক।
১১। নূরুল হক (বীর প্রতীক)।
১২। আবু তাহের (বীর প্রতীক)।
১৩। মোহাম্মদ আবদুল মমিন, বীর প্রতীক।
১৪। শামসুল হক (বীর প্রতীক)।
১৫। আবুল হোসেন (বীর প্রতীক)।
১৬। ফারুক আহমদ পাটোয়ারী, বীর প্রতীক।
১৭। মোহাম্মদ আবদুল হাকিম, বীর প্রতীক।
১৮। আবুল কাশেম ভূঁইয়া (বীর বিক্রম)।
১৯। মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ, বীর বিক্রম।
২০। আবদুল হালিম (বীর বিক্রম)।
২১। মোহাম্মদ বজলুল গণি পাটোয়ারী, বীর বিক্রম।
২২। আবদুল জব্বার পাটোয়ারী, বীর বিক্রম।
২৩। আমিন উল্লাহ শেখ (বীর বিক্রম)।
২৪। মোঃ নুরুল হুদা, মুক্তিযোদ্ধা ও ৪ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য চাঁদপুর-২ আসন থেকে।
২৫। খান বাহাদুর আবিদুর রেজা চৌধুরী, রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী।
২৬। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক), একজন বাংলাদেশী লেখক এবং দেশের প্রথম নজরুল গবেষক।
২৭। বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, লেখক, চিত্র সমালোচক ও শিক্ষাবিদ।
২৮। মরহুম ওয়ালিউল্লাহ পাটোয়ারী, শিক্ষাবিদ।
২৯। মুনতাসীর মামুন, একজন লেখক ও শিক্ষাবিদ।
৩০। শান্তনু কায়সার, সাহিত্যিক।
৩১। মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন, সাংবাদিক।
৩২। নাজিম উদ্দিন মোস্তান, সাংবাদিক।
৩৩। নাসির উদ্দিন, সম্পাদক, সওগাত।
৩৪। নূরজাহান বেগম, সম্পাদক, মাসিক বেগম।
৩৫। হাশেম খান, বরেণ্য চিত্রশিল্পী।
৩৬। ঢালী আল মামুন, চিত্রশিল্পী।
৩৭। শাইখ সিরাজ, গণ মাধ্যম ব্যক্তিত্ব, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান।
৩৮। আহমদ জামান চৌধুরী, চলচ্চিত্র সাংবাদিক, চলচ্চিত্রের কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও গীতিকার।
৩৯। এম বি মানিক চিত্র পরিচালক, (বিএফডিসি)।
দিলদার, অভিনেতা।
৪০। দিলারা জামান, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
৪১।সাদেক বাচ্চু (মাহবুব আহমেদ সাদেক বাচ্চু), বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম খলঅভিনেতা।
৪২। কবির বকুল, গীতিকার ও সাংবাদিক।
৪৩। এসডি রুবেল, সংগীত শিল্পী।
৪৪। আতিকুল ইসলাম, সঙ্গীত শিল্পী।
৪৫। মিজানুর রহমান চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
৪৬। ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সৌদি রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক আইজিপি।
চাঁদপুর সদর উপজেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা: বিজয় দিবসকে চির স্মরনীয় করে রাখার জন্য চাঁদপুর হাসান আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখস্থ হাসান আলী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়। এ মেলা হয় প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসের ১ম সপ্তাহে আরম্ভ হয়। চলে এক মাস। ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর শহর পাকবাহিনী মুক্ত হয়। ১৯৯২ সালে ৮ ডিসেম্বর বিজয় মেলা আরম্ভ হয়।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলায় মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব রাখা এবং বিশিষ্ট বিদগ্ধ ব্যক্তিদের আমন্ত্রণজানানো হয়। তাঁরা মেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ইতিহাস জনসমক্ষে তুলে ধরেন। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলায় শিশু খেলনা হতে আরম্ভ করে মহিলাদের বিভিন্ন তৈজসপত্রসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী পাওয়া যায়। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর, অক্টোবর মাসে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার নতুন কমিটি গঠন করা হয়। বিজয় মেলা কমিটিই এ মেলার আয়োজক। মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা কমিটির ১ম আহবায়ক ছিলেন যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব এম, এ ওয়াদুদ, জেলা কমান্ডার এবং ২০১১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার আহবায়ক ছিলেন এডভোকেট জনাব আব্দুল লতিফ গাজী। মেলার মঞ্চে প্রতিদিন আলোচনা সভা ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। জেলার সকল সাংস্কৃতিক সংগঠন এসকল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকে।
বাবুর হাটের বৈশাখী মেলাঃ চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুরহাট বাজারে স্বল্প পরিসরে প্রতিবছর বৈশাখী মেলা বসে। এটি স্বতঃস্ফুর্ত মেলা। বড় ষ্টেশন মোল হেড চত্তরের ১লা বৈশাখের অনুষ্ঠান ও মেলাঃ ২০১০ ইংরেজি মোতাবেক ১৪১৭ বাংলা সনের ১লা বৈশাখ জেলা প্রশাসক জনাব প্রিয়তোষ সাহার উদ্যোগে চাঁদপুরে সর্বপ্রথম বৃহত্তর কলেবরে বড় ষ্টেশন মোল হেড চত্ত্বরে উদযাপন করা শুরু হয়।
প্রথমে সাংস্কৃতিক সংগঠসমূহের মৃদু বিরোধীতা থাকলেও জেলা প্রশাসক জনাব সাহার প্রচেষ্টায় সকলের ঐকমতেই চাঁদপুর হাসান আলী মাঠ থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালীসহ মোল হেড চত্ত্বরে গিয়ে ১লা বৈশাখের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ বৈশাখী অনুষ্ঠানকে উপলক্ষ্য করে জেলা প্রশাসক জনাব প্রিয়তোষ সাহা, পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ শহিদুল্যাহ চৌধুরী, পিপিএম এবং চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ এর নেতৃত্বে মোল হেডটি অবৈধ দখল মুক্ত হয়। মেয়র জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ ১লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে মঞ্চ, মাইক ও প্যান্ডেলের ব্যবস্থা করেন এবং জেলা প্রশাসক অন্যান্য সকল আয়োজন করে থাকেন।
জেলা প্রশাসক ১লা বৈশাখ উপলক্ষে প্রায় চার-পাঁচ হাজার মানুষকে মঞ্চের অদূরে অবস্থিত রেলওয়ে রেস্ট হাউসে পান্থা ইলিশ খাওয়ানোর ব্যবস্থা নেন। এ অনুষ্ঠানে সেলফোন কোম্পানি ‘‘রবি’’ সহযোগিতা করে। এ পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানকে ঘিরে ১৪১৭ বাংলা সন থেকে মোল হেড চত্ত্বরে মেলা বসছে। ঐ দিন চাঁদপুর ও তার আশপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার নারী পুরুষ অনুষ্ঠানে ও মেলায় যোগ দেয়। মেলায় খেলনা, পিঠা ও হ্যান্ডি ক্রাফট, খাদ্য সামগ্রী ইত্যাদি পাওয়া যায়।
মেলা উপলক্ষে একটি আকর্ষনীয় র‌্যাফেল ড্র হয়। মেলা মঞ্চে সকল সাংস্কৃতিক সংগঠন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান করে থাকে। ১৪১৮ সনের মধ্যরাতে উদিচি কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠান ‘ইতিহাস কথা কও’ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসকসহ শিল্পী কলা কৌসুলী ও দর্শক শ্রোতারা প্রবল ঝড়ের মুখে পড়েন। কোন ক্ষয় ক্ষতি না হলেও আতঙ্কের সৃষ্টি হয় এবং প্যান্ডেল ও মঞ্চ তছনছ হয়ে যায়।
 
উল্লেখ্য, উপরোক্ত সকল তথ্যাদি বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন চাঁদপুর সদর উপজেলা পোর্টালের সর্বশেষ আপডেট থেকে হুবহু সংগৃহীত।
Facebook Comments

Check Also

রোজাদার ও সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে হাজীগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের এক বেলা আহার প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক : হাজীগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল রুবেল এর উদ্যোগে রোজাদার, …

Shares
vv